১০ই জুন, ২০২৬

info@thefourthaxis.in

The Fourth Axis

header-ad

মহাকাশ গবেষণার প্রযুক্তি কি সস্তায় বিকোচ্ছে বেসরকারি হাতে? সংসদীয় কমিটির রিপোর্টে চাঞ্চল্য

মহাকাশ গবেষণার প্রযুক্তি কি সস্তায় বিকোচ্ছে বেসরকারি হাতে? সংসদীয় কমিটির রিপোর্টে চাঞ্চল্য

spacecraft-indian-controversy

মহাকাশ গবেষণার প্রযুক্তি কি সস্তায় বিকোচ্ছে বেসরকারি হাতে? সংসদীয় কমিটির রিপোর্টে চাঞ্চল্য

ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর (ISRO) তৈরি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি বেসরকারি সংস্থাগুলিকে নামমাত্র মূল্যে হস্তান্তর করা নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করল সংসদের স্থায়ী কমিটি। সম্প্রতি প্রকাশিত ৪১০ নম্বর রিপোর্টে কমিটি জানিয়েছে, বহু ক্ষেত্রে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি মাত্র ৬ হাজার টাকা বা তারও কম মূল্যে বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে কোনও ফি-ই নেওয়া হয়নি।

বিজেপি সাংসদ ভুবনেশ্বর কলিতার নেতৃত্বাধীন এই কমিটি 'ডিপার্টমেন্ট অফ স্পেস'-এর অনুদান সংক্রান্ত পর্যালোচনায় জানিয়েছে, প্রযুক্তির বাণিজ্যিক সম্ভাবনা বিচার না করেই এমন ‘সস্তা’ দর নির্ধারণ করা হচ্ছে। এর ফলে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলি তাদের উদ্ভাবনের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, অথচ বেসরকারি সংস্থাগুলি সেই প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিপুল মুনাফা লুটছে।

তদন্ত ও তৃতীয় পক্ষ দ্বারা অডিট:

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মৎস্যজীবীদের জন্য তৈরি 'ডিস্ট্রেস অ্যালার্ট ট্রান্সমিটার' (DAT) প্রযুক্তিটি জনস্বার্থের কথা মাথায় রেখে সস্তায় দেওয়া হয়েছিল। তবে কমিটির পাল্টা যুক্তি, এই কম দামের সুবিধা সাধারণ ব্যবহারকারীরা আদেও পাচ্ছেন কি না, তা যাচাই করার কোনও বিশ্বাসযোগ্য ব্যবস্থা নেই। কমিটির স্পষ্ট সুপারিশ— এখন থেকে মহাকাশ প্রযুক্তির দাম বাজারদর অনুযায়ী ঠিক করতে হবে এবং প্রতিটি প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তির স্বচ্ছতা বজায় রাখতে তৃতীয় পক্ষ (Third-party) দিয়ে নিয়মিত অডিট করাতে হবে।

ধীরগতিতে চলছে চন্দ্রযান-৪ ও ৫-এর কাজ:

প্রযুক্তি হস্তান্তর ছাড়াও মহাকাশ অভিযানের জন্য বরাদ্দ অর্থ খরচ না হওয়া নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছে কমিটি। রিপোর্টে বলা হয়েছে:

চন্দ্রযান-৪: ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও খরচ হয়েছে মাত্র ৩৪.৬০ কোটি টাকা।
চন্দ্রযান-৫: বরাদ্দ ১৪ কোটি টাকার বিপরীতে খরচ হয়েছে মাত্র ০.৫৮ কোটি টাকা।
শুক্র অভিযান (Venus Orbiter): এই মিশনের অবস্থা আরও শোচনীয়। বরাদ্দ ২৯.৫০ কোটি টাকার মধ্যে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত খরচ হয়েছে মাত্র ৫.১২ কোটি টাকা।

সংসদীয় কমিটির আশঙ্কা, খরচের গতি যদি এতটাই মন্থর থাকে, তবে চন্দ্রযান-৪, চন্দ্রযান-৫ এবং শুক্র অভিযানের মতো গুরুত্বপূর্ণ মিশনগুলো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করা চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়াবে। যদিও মহাকাশ বিভাগ জানিয়েছে, জটিল নকশা চূড়ান্ত করা এবং যন্ত্রাংশ না পাওয়ার  কারণে শুরুতে গতি কিছুটা কম থাকে, তবে কমিটি দ্রুত কাজের গতি বাড়িয়ে বরাদ্দ অর্থ সঠিক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে।

Click here to add The Fourth Axis as a trusted and preferred source on Google.

google Source Icon
দ্য ফোর্থ অ্যাক্সিস ডেস্ক

দ্য ফোর্থ অ্যাক্সিস ডেস্ক

অনলাইন বাংলা ম্যাগাজিন।

আরও পড়ুন

sidebar-ad

অন্যান্য