The Fourth Axis

শতবর্ষের জর্জ টেলিগ্রাফে নতুন ইতিহাস,তমলুক খেলা ঘরের সঙ্গে গাঁটছড়া

GT sports

শতবর্ষের জর্জ টেলিগ্রাফে নতুন ইতিহাস,তমলুক খেলা ঘরের সঙ্গে গাঁটছড়া

শেষ আপডেট: 20 April 2026 20:28

জর্জের নতুন স্পনসর

শতবর্ষের জর্জ টেলিগ্রাফ স্পোর্টস ক্লাবের মুকুটে নয়া পালক সংযোজিত। ময়দানে আরও একবার ইতিহাসকে স্পর্শ করল এই ঐতিহ্যবাহী ক্লাব। শুভ অক্ষয় তৃতীয়ায় তারা গাঁটছড়া বাঁধল তমলুক খেলা ঘরের মতো একটা জেলার ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে। এক বছরের এই চুক্তিতে তারা জর্জ টেলিগ্রাফ স্পোর্টস ক্লাবকে স্পনসরশিপ করবে। কলকাতা প্রিমিয়ার ডিভিশন লিগে জর্জ টেলিগ্রাফ খেলবে ‘তমলুক খেলাঘর জর্জ টেলিগ্রাফ স্পোর্টস ক্লাব’ নামে।

প্রতিষ্ঠা পাবেন জেলা ফুটবলাররা

সোমবার কলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক ক্লাবে এক জমজমাট সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক তথা আইএফএ চেয়ারম্যান সুব্রত দত্ত, ক্লাবের যুগ্মসচিব তথা আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত, ক্লাবের এক্সিকিউটিভ সচিব অনিন্দ্য দত্তসহ সব্যসাচী সরকাররা। জর্জ টেলিগ্রাফ স্পোর্টস ক্লাবের যুগ্ম সচিব অনির্বাণ দত্ত এদিন অনুষ্ঠানে বলেন, “জেলা ও কলকাতার ক্লাবগুলো একসঙ্গে কাজ করায় নতুন খেলোয়াড়দের বড় মঞ্চে খেলার সুযোগ তৈরি হবে এবং নতুন সমর্থকও গড়ে উঠবে। সব মিলিয়ে, এতে জেলা ও কলকাতার ফুটবলের মধ্যে একটি ভালো যোগসূত্র তৈরি হবে।” সুব্রত দত্ত জানিয়েছেন, ‘‘জর্জ টেলিগ্রাফ ময়দানে একটি ক্লাব নয়, এটি আবেগও। এবার আমরা ক্লাবের শতবর্ষ অনুষ্ঠান পালন করেছি।’’ তিনি আরও জানান, ‘‘জেলা থেকে ফুটবলাররা যাতে কলকাতা ফুটবলের মূলস্রোতে আসতে পারে, সেই লক্ষ্যে এই গাঁটছড়া খুবই তাৎপর্যবাহী।’’

কোচ হতে চান অলোক

ক্লাবের এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি অনিন্দ্য দত্ত জানান, ‘‘আগামী দিনে ক্লাবকে ঘিরে একাধিক পরিকল্পনা রয়েছে, যা তমলুক খেলা ঘরের পরিচালন সমিতির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে।’’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জর্জের প্রাক্তন কিংবদন্তি ফুটবলার অলোক মুখার্জি, যিনি আবেগতাড়িত হয়ে জানান, ‘‘জর্জ টেলিগ্রাফ না থাকলে আমি কোনওদিন ময়দানে প্রতিষ্ঠা পেতাম না। এটা আমার কাছে ঠাকুরঘর।’’ এই ক্লাবের মূল কোচ হতে চান অলোক।

দলের টিডি মোহনবাগানের প্রাক্তন

দলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন মোহনবাগানের প্রাক্তন ফুটবলার সুমন দত্ত। উল্লেখ্য, তিনি বেঙ্গল সুপার লিগে চ্যাম্পিয়ন হাওড়া-হুগলি ওয়ারিয়র্স দলের সহকারী কোচ ছিলেন এবং আই লিগে রিয়াল কাশ্মীরের সঙ্গেও সহকারী কোচ হিসেবে যুক্ত ছিলেন। তিনি জোরের সঙ্গে জানিয়েছেন, ‘‘আমাদের এই ক্লাবে যারা খেলবে, তারা সব জেলার ফুটবলার হবে। কেউ যেন ভেবে না নেয়, সব ফুটবলার মেদিনীপুর থেকেই নেওয়া হবে। যারা প্রতিভাবান, তাদের দরজা খোলা।’’