কলকাতা: অবশেষে একটু স্বস্তি! বহুদিনের ‘শব্দ-সন্ত্রাস’ পেরিয়ে যেন বাংলার আকাশে নেমেছে এক অদ্ভুত নীরবতা। শহর থেকে গ্রাম—যেখানে এতদিন মাইকের চোটে কথাই শোনা যেত না, সেখানে এখন পাখির ডাকও স্পষ্ট। রসিক বাঙালির মন্তব্য, “এই ক’দিনে কানটা যা সহ্য করেছে, এখন অন্তত ছুটি পেল!”
২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছিল ১৬ মার্চ। কিন্তু বাস্তবে প্রচারের দামামা বেজে গিয়েছিল তারও বহু আগে। এসআইআর ইস্যুকে কেন্দ্র করে গত বছরের নভেম্বর থেকেই উত্তপ্ত হতে শুরু করেছিল বাংলার রাজনৈতিক আবহ। সময় যত গড়িয়েছে, ততই চড়েছে প্রচারের ভলিউম—আক্ষরিক অর্থেই!
একদিকে তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে বিজেপির হেভিওয়েট ব্রিগেড—প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার সঙ্গে কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী, আপের অরবিন্দ কেজরিওয়াল—সব মিলিয়ে যেন ‘স্টার ওয়ার্স’-এর ময়দান হয়ে উঠেছিল বাংলা। হেলিকপ্টার নামছে, সভা হচ্ছে, আর মাইকের আওয়াজে কাঁপছে জনপদ।
সকাল থেকে রাত—মাইক, স্লোগান, গানের তালে প্রচার—এমন অবস্থা হয়েছিল যে, অনেকেই মজা করে বলছিলেন, “ভোট শেষ না হলে কানে হিয়ারিং এইড লাগাতে হবে!” বিশেষত শহরাঞ্চলে তো বটেই, গ্রামবাংলার নিরিবিলি পরিবেশও রীতিমতো শব্দে জর্জরিত হয়ে উঠেছিল।
তবে সোমবার বিকেলে নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে প্রচার পর্ব শেষ হতেই হঠাৎ করেই যেন ‘সাউন্ড অফ’। না মাইক, না স্লোগান—শুধুই এক অচেনা শান্তি। এই নীরবতাই এখন বাংলার নতুন ‘ব্রেকিং নিউজ’!
তবে মাইক থামলেও মুখ থামেনি। চায়ের দোকান থেকে ট্রেনের কামরা, বাসস্ট্যান্ড থেকে পাড়ার আড্ডা—সব জায়গাতেই এখন একটাই আলোচনা, “ফল কী হবে?” কে এগিয়ে, কে পিছিয়ে—এই হিসেব কষতেই ব্যস্ত আমজনতা।
এবারের ভোটে প্রথম দফায় ১৫২টি কেন্দ্রে প্রায় অশান্তিহীন ভোট হয়েছে বলেই দাবি কমিশনের। সেই সঙ্গে ৯৩ শতাংশ ভোট পড়ার নজির নতুন করে কৌতূহল বাড়িয়েছে। এত উচ্চ হারে ভোটদান—তা কি পরিবর্তনের ইঙ্গিত, না কি স্থিতাবস্থার পক্ষে সিলমোহর?
আগামী বুধবার দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি কেন্দ্রে ভোট। কমিশনের আশ্বাস, সেখানেও থাকবে কড়া নিরাপত্তা এবং শান্তিপূর্ণ ভোটের পরিবেশ। তবে রাজনৈতিক মহল বলছে, উচ্চ ভোটদানের হার যদি একই থাকে, তাহলে ফলাফল হতে পারে চমকপ্রদ।
সব মিলিয়ে এখন বাংলায় ‘নীরবতার রাজনীতি’। বাইরে শান্তি, ভিতরে উত্তেজনা। মাইক বন্ধ, কিন্তু মনের ভেতর প্রশ্নের আওয়াজ ক্রমশই চড়ছে। কলকাতা: অবশেষে একটু স্বস্তি! বহুদিনের ‘শব্দ-সন্ত্রাস’ পেরিয়ে যেন বাংলার আকাশে নেমেছে এক অদ্ভুত নীরবতা। শহর থেকে গ্রাম—যেখানে এতদিন মাইকের চোটে কথাই শোনা যেত না, সেখানে এখন পাখির ডাকও স্পষ্ট। রসিক বাঙালির মন্তব্য, “এই ক’দিনে কানটা যা সহ্য করেছে, এখন অন্তত ছুটি পেল!”
২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছিল ১৬ মার্চ। কিন্তু বাস্তবে প্রচারের দামামা বেজে গিয়েছিল তারও বহু আগে। এসআইআর ইস্যুকে কেন্দ্র করে গত বছরের নভেম্বর থেকেই উত্তপ্ত হতে শুরু করেছিল বাংলার রাজনৈতিক আবহ। সময় যত গড়িয়েছে, ততই চড়েছে প্রচারের ভলিউম—আক্ষরিক অর্থেই!
একদিকে তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে বিজেপির হেভিওয়েট ব্রিগেড—প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার সঙ্গে কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী, আপের অরবিন্দ কেজরিওয়াল—সব মিলিয়ে যেন ‘স্টার ওয়ার্স’-এর ময়দান হয়ে উঠেছিল বাংলা। হেলিকপ্টার নামছে, সভা হচ্ছে, আর মাইকের আওয়াজে কাঁপছে জনপদ।
সকাল থেকে রাত—মাইক, স্লোগান, গানের তালে প্রচার—এমন অবস্থা হয়েছিল যে, অনেকেই মজা করে বলছিলেন, “ভোট শেষ না হলে কানে হিয়ারিং এইড লাগাতে হবে!” বিশেষত শহরাঞ্চলে তো বটেই, গ্রামবাংলার নিরিবিলি পরিবেশও রীতিমতো শব্দে জর্জরিত হয়ে উঠেছিল।
তবে সোমবার বিকেলে নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে প্রচার পর্ব শেষ হতেই হঠাৎ করেই যেন ‘সাউন্ড অফ’। না মাইক, না স্লোগান—শুধুই এক অচেনা শান্তি। এই নীরবতাই এখন বাংলার নতুন ‘ব্রেকিং নিউজ’!
তবে মাইক থামলেও মুখ থামেনি। চায়ের দোকান থেকে ট্রেনের কামরা, বাসস্ট্যান্ড থেকে পাড়ার আড্ডা—সব জায়গাতেই এখন একটাই আলোচনা, “ফল কী হবে?” কে এগিয়ে, কে পিছিয়ে—এই হিসেব কষতেই ব্যস্ত আমজনতা।
এবারের ভোটে প্রথম দফায় ১৫২টি কেন্দ্রে প্রায় অশান্তিহীন ভোট হয়েছে বলেই দাবি কমিশনের। সেই সঙ্গে ৯৩ শতাংশ ভোট পড়ার নজির নতুন করে কৌতূহল বাড়িয়েছে। এত উচ্চ হারে ভোটদান—তা কি পরিবর্তনের ইঙ্গিত, না কি স্থিতাবস্থার পক্ষে সিলমোহর?
আগামী বুধবার দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি কেন্দ্রে ভোট। কমিশনের আশ্বাস, সেখানেও থাকবে কড়া নিরাপত্তা এবং শান্তিপূর্ণ ভোটের পরিবেশ। তবে রাজনৈতিক মহল বলছে, উচ্চ ভোটদানের হার যদি একই থাকে, তাহলে ফলাফল হতে পারে চমকপ্রদ।
সব মিলিয়ে এখন বাংলায় ‘নীরবতার রাজনীতি’। বাইরে শান্তি, ভিতরে উত্তেজনা। মাইক বন্ধ, কিন্তু মনের ভেতর প্রশ্নের আওয়াজ ক্রমশই চড়ছে। এখন অপেক্ষা।



