৮ই জুন, ২০২৬

info@thefourthaxis.in

The Fourth Axis

header-ad

পাকিস্তান সরকারের অনুরোধে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ালেন ট্রাম্প

পাকিস্তান সরকারের অনুরোধে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ালেন ট্রাম্প

trump

পাকিস্তান সরকারের অনুরোধে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ালেন ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মেঘ ঘনিয়ে এলেও আপাতত কিছুটা স্বস্তির খবর। পাকিস্তানের বিশেষ অনুরোধে ইরানের সঙ্গে চলমান ‘যুদ্ধবিরতি’ মেয়াদ আরও বাড়াতে রাজি হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (২২ এপ্রিল, ২০২৬) এই মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে সাময়িক উত্তেজনা কমল।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সাফল্য

জানা গেছে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফসহ দেশটির শীর্ষ নেতৃত্ব গত কয়েকদিন ধরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মধ্যস্থতা করার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। তাঁদের সেই প্রচেষ্টাকে সম্মান জানিয়েই ট্রাম্প এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, ইরান যাতে একটি ‘সুসংহত শান্তি প্রস্তাব’ (unified proposal) নিয়ে আলোচনার টেবিলে আসতে পারে, তার জন্যই এই বাড়তি সময় দেওয়া হলো।

থমকে আছে কূটনৈতিক আলোচনা

শান্তির পথে এই পদক্ষেপ নেওয়া হলেও পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ইসলামাবাদ সফরের কথা ছিল, যেখানে ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে বসার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু তেহরান আমেরিকার বিরুদ্ধে ‘অগ্রহণযোগ্য আচরণের’ অভিযোগ তুলে আলোচনায় বসতে অস্বীকার করায় ভ্যান্সের সেই সফর আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।

অবরোধ জারি রাখছে আমেরিকা

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, বিমান হামলা বা বোমাবর্ষণ বন্ধ থাকলেও ইরানের বন্দর এবং হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন সামরিক অবরোধ আগের মতোই বহাল থাকবে। অন্যদিকে, ইরান শর্ত দিয়েছে যে তারা আলোচনায় তখনই ফিরবে, যখন আমেরিকা এই অর্থনৈতিক ও সামরিক অবরোধ তুলে নেবে।

চরম উত্তেজনার আবহ

যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেও ট্রাম্পের ভাষায় ঝাঁজ কমেনি। এর আগে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, সমঝোতা না হলে বড় ধরনের বোমাবর্ষণ শুরু হবে। পাল্টা জবাবে ইরানও জানিয়েছে, তাদের হাতেও যুদ্ধের ‘নতুন তুরুপের তাস’ আছে এবং যুদ্ধ শুরু হলে এই অঞ্চলের তেল শিল্প মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব
এই সংঘাতের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। বর্তমানে পরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল প্রায় ৯৫ থেকে ৯৮ ডলারে পৌঁছেছে, যা বিশ্বজুড়ে নতুন করে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা তৈরি করছে।

আপাতত পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এক নতুন সম্ভাবনার সুযোগ তৈরি হলেও, দুই দেশের অনড় অবস্থান ও সামরিক প্রস্তুতির কারণে গোটা পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত জটিল ও অনিশ্চিত হয়ে আছে।

Click here to add The Fourth Axis as a trusted and preferred source on Google.

google Source Icon
দ্য ফোর্থ অ্যাক্সিস ডেস্ক

দ্য ফোর্থ অ্যাক্সিস ডেস্ক

অনলাইন বাংলা ম্যাগাজিন।

আরও পড়ুন

sidebar-ad

অন্যান্য