১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬

info@thefourthaxis.in
header-ad
সিডনি কাব্রালের জীবন সিনেমাকেও হার মানায়!

সিডনি কাব্রাল, ছবি - Google

সিডনি কাব্রালের জীবন সিনেমাকেও হার মানায়!

ধরুন, কলকাতা ময়দানের পঞ্চম ডিভিশন ক্লাব ব্যাতোর এফ সি থেকে কোনও কিশোর ফুটবলার মাত্র তিনবছরের মধ্যে ভারতের সিনিয়র দলের জার্সি পরে প্রাক বিশ্বকাপের কোনও ম্যাচে গোল করে সেরা হলেন। তখন কেমন মনে হবে সবার? সেই কিশোর ফুটবলারের উল্কা গতিতে উত্থান দেখে সবাই যেমন চমকপ্রদ হবে, তেমনটাই এবার হচ্ছেন তুরস্কের ফুটবল প্রেমীরা। তার কারণ একটাই, সিডনি কাব্রাল।

কে সিডনি কাব্রাল?

সিডনি কাব্রালের গল্পটা যে কোনও সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানায়। মাত্র তিন বছর আগে জার্মানির পঞ্চম বিভাগের ক্লাবে খেলতেন তিনি। ঘরের জানালায় পর্দার বদলে ব্যবহার করতে হতো পলিথিনের ব্যাগ। সেখান থেকে গত জুনে পর্তুগালের বেনফিকা হয়ে তুরস্কের ক্লাব ত্রাবজোনোস্পার, আর সবশেষে বিশ্বকাপের মহামঞ্চে টুর্নামেন্টের সেরা গোলের সম্মান!

আরও পড়ুন
স্পেনের ‘শক অ্যাবজরবার’ রদ্রি
ভাইরাল ভোজিনহা

বিশ্বকাপের নক আউট ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে তাঁর সমতায় ফেরানো গোলটি এই বিশ্বকাপের সেরা গোলের স্বীকৃতি পেয়েছে। অ্যালেক্সি ম্যাক অ্যালিস্টারকে ড্রিবল করে এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে পরাস্ত করে টপ কর্নারে বল পাঠান কেপভার্দিয়ান এই ফুটবলার।

সবচেয়ে বড় কথা, ছেলের এমন দুর্দান্ত শট দেখে মুর্হূতেই মাঠে জ্ঞান হারান  সিডনির মা। ফিফাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিডনি জানান সেই ঘটনা। তিনি জানান, "ম্যাচের আগে আমি আমার মা ও বান্ধবীকে বলেছিলাম - গোল করলে তাদের দিকে দৌড়ে যাব। সেখানে পৌঁছে দেখি মা কাঁদছেন, তবে তিনি তখনও বুঝতে পারেননি যে আমি তাঁর ঠিক সামনে দাঁড়িয়ে আছি, কারণ আমার গোলের পরপরই তিনি আনন্দে মূর্ছা গিয়েছিলেন! সবাই তখন মাকে সামলাতেই ব্যস্ত ছিল।"

সিডনি কাব্রালের স্বপ্নপূরণ

নকআউট পর্বের সেই ম্যাচের আগে নেদারল্যান্ডসের রটারডামে জন্ম নেওয়া এই ফুটবলার বলেছিলেন, ‘আশা করি মেসির পাশে দাঁড়িয়ে কিছু ছবি তুলতে পারব।’ আলোকচিত্রীরা তাঁর সেই ইচ্ছা পূরণ করেছিলেন। আর ম্যাচের পর সিডনি কাব্রাল লিখে ফেললেন নিজের এক অমর গল্প।

বিশ্বকাপের পরে তাঁর জীবন বদলে গিয়েছে। দেশের বাড়িতে ফিরে নতুন বাড়ি কিনেছেন। আগে যে অভাব ছিল, সেটা দূর হয়েছে। একটা বিশ্বকাপ সিডনির জীবন বদলে দিয়েছে। যে মা তাঁর জন্য কত ত্যাগ স্বীকার করেছেন তাঁকে নিয়ে ইতিমধ্যেই ঘুরে এসেছেন প্যারিস। অভাব তাঁকে অনেক বড় করে দিয়েছিল, আর সাফল্য সিডনির দায়িত্ব অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।

Click here to add The Fourth Axis as a trusted and preferred source on Google.

google Source Icon
দ্য ফোর্থ অ্যাক্সিস ডেস্ক
দ্য ফোর্থ অ্যাক্সিস ডেস্ক

অভিজ্ঞ, সংবেদনশীল, অনুসন্ধিৎসু এবং সমকালীন ও আগামী সম্পর্কে ওয়াকিবহাল কর্মঠ কিছু তরুণ-তরুণী নিয়ে দ্য ফোর্থ অ্যাক্সিস ডেস্ক। ভারতীয় বাঙালি সংস্কৃতির পথ ধরে গ্লোবাল লেন্স দিয়ে দুনিয়াকে দেখে সকলের সামনে পরিবেশন করাই তাঁদের লক্ষ্য। মিলেনিয়াল-জেনX-এর অভিজ্ঞতা ও জেনZ-র উৎসাহর যথাযথ রসায়নে গঠিত 'দ্য ফোর্থ অ্যাক্সিস ডেস্ক'।

আরও পড়ুন

sidebar-ad

অন্যান্য