১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬

info@thefourthaxis.in
header-ad
AI-এর ঝুঁকিতে গ্রাহক সুরক্ষা: IIT মাদ্রাজের সতর্কবার্তা

গ্রাহক সুরক্ষার প্রশ্নে হুমকি হয়ে উঠছে AI? ছবি - Google

AI-এর ঝুঁকিতে গ্রাহক সুরক্ষা: IIT মাদ্রাজের সতর্কবার্তা

calender icon 2 ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মূল বিষয়

দৈনন্দিন জীবনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ব্যবহার যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে এর ঝুঁকি এবং আইনি বিভ্রান্তি। এআই চ্যাটবটের বিভ্রান্তিকর তথ্য, পক্ষপাতদুষ্ট অ্যালগরিদমের কারণে ঋণের আবেদন বাতিল কিংবা স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার গাফিলতিতে যদি কোনো গ্রাহক ক্ষতির মুখে পড়েন, তবে সেই দায় কার? ভারতের বর্তমান ক্রেতা সুরক্ষা আইনে কি এআই-জনিত ক্ষতির সুনির্দিষ্ট বিচার সম্ভব? এমনই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরে দেশের বর্তমান ভোক্তা আইনের বড়সড় ফাঁকফোকর সামনে এনেছে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি মাদ্রাজ (আইআইটি মাদ্রাজ)-এর ‘সেন্টার ফর রেসপনসিবল এআই’-এর একটি গবেষণাপত্র।

আইন বনাম জটিল প্রযুক্তির সংঘাত: দায়ভার কার?

গবেষকদের বক্তব্য, ২০১৯ সালের ক্রেতা সুরক্ষা আইনে 'পণ্যের ত্রুটি' ও 'গ্রাহকের ক্ষতি' সংক্রান্ত সংজ্ঞাগুলো বেশ ব্যাপক হওয়ায় তাত্ত্বিকভাবে তা এআই সিস্টেমের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা যায়। কিন্তু সমস্যা তৈরি হচ্ছে অপরাধ বা ত্রুটির দায়ভার নির্দিষ্ট করার জায়গায়। সাধারণ কোনো পণ্য নষ্ট বা ক্ষতিকারক হলে নির্মাতা, বিক্রেতা কিংবা পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাকে সহজেই কাঠগড়ায় তোলা যায়। তবে এআই প্রযুক্তির ক্ষেত্রে পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। কারণ একটি এআই প্ল্যাটফর্মের পেছনে থাকেন ডেটা সরবরাহকারী, মূল মডেলের সফটওয়্যার ডেভেলপার, সেটিকে নির্দিষ্ট কাজের জন্য রূপান্তরকারী এবং সংশ্লিষ্ট পরিষেবা দেওয়া সংস্থা। ফলে কার ভুলে ঠিক কোন স্তরে ত্রুটি ঘটেছে এবং প্রকৃত দায় কার ওপর বর্তাবে, তা নির্দিষ্ট করা প্রচলিত আইনের কাঠামোর পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন
আপনার শখের AI ছবির মূল্য কীভাবে চোকাচ্ছে পৃথিবী?
গুগলের AI টুল Pomelli, বুঝবে ব্যবসার ‘মেজাজ’, বিজ্ঞাপনও বানাবে
আপনার ব্যক্তিগত AI সহকারী! মেটা নিয়ে এল ‘মিউজ’

প্রমাণ জোগাড়ের চ্যালেঞ্জ ও আইনি জটিলতা

পাশাপাশি, এআই-এর জটিল অ্যালগরিদমিক সিদ্ধান্তের কারণ নির্ণয় করা প্রযুক্তিগতভাবে এতটাই দুরূহ যে, সাধারণ গ্রাহক তো বটেই, এমনকি দেশের প্রচলিত গ্রাহক আদালত বা বিচারকদের পক্ষেও সরাসরি দোষ বা কার্যকারণ প্রমাণ করা অত্যন্ত কঠিন। গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, উপযুক্ত প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো এবং সচেতনতার অভাবে এআই-সংক্রান্ত কোনো ক্ষতি নিয়ে এখনও ভারতের আদালতে উল্লেখযোগ্য মামলা নথিভুক্ত হয়নি।

জরুরি সংস্কারের ডাক

এই আইনি ধূসর এলাকা দূর করতে কেন্দ্রীয় ক্রেতা সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ (সিসিপিএ) এবং প্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষজ্ঞ কমিটিগুলির অবিলম্বে সুনির্দিষ্ট নীতি প্রণয়ন করা উচিত বলে পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা। অন্যথায়, এআই প্রযুক্তির রমরমার এই যুগে সাধারণ মানুষ নিঃশব্দেই প্রতারিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন, যার সুরাহা মিলবে না বর্তমান আইনের ধারায়।

Click here to add The Fourth Axis as a trusted and preferred source on Google.

google Source Icon
দ্য ফোর্থ অ্যাক্সিস ডেস্ক
দ্য ফোর্থ অ্যাক্সিস ডেস্ক

অভিজ্ঞ, সংবেদনশীল, অনুসন্ধিৎসু এবং সমকালীন ও আগামী সম্পর্কে ওয়াকিবহাল কর্মঠ কিছু তরুণ-তরুণী নিয়ে দ্য ফোর্থ অ্যাক্সিস ডেস্ক। ভারতীয় বাঙালি সংস্কৃতির পথ ধরে গ্লোবাল লেন্স দিয়ে দুনিয়াকে দেখে সকলের সামনে পরিবেশন করাই তাঁদের লক্ষ্য। মিলেনিয়াল-জেনX-এর অভিজ্ঞতা ও জেনZ-র উৎসাহর যথাযথ রসায়নে গঠিত 'দ্য ফোর্থ অ্যাক্সিস ডেস্ক'।

আরও পড়ুন

sidebar-ad

অন্যান্য