১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬

info@thefourthaxis.in
header-ad
ফেসবুক গ্রুপের বিপ্লব ও ডায়াসপোরার হাত ধরে বাংলাদেশের উত্থান

হামজা চৌধুরী সহ বাংলাদেশের ডায়াস্পোরা ফুটবলাররা। ছবি - Google

ফেসবুক গ্রুপের বিপ্লব ও ডায়াসপোরার হাত ধরে বাংলাদেশের উত্থান

calender icon 2 ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মূল বিষয়

সামনেই সাফ কাপ শুরু হতে চলেছে। এবার সাফ কাপের গুরুত্ব বেশ বেশি। যদিও ভারতীয় ফুটবল দল নজরবিহীনভাবে সাফ কাপ না খেলে ব্রাজিল, উরুগুয়ে ও পানামার সঙ্গে আন্তর্জাতিক ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর এই সবটাই ঘটল সেই সময়, যখন দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল এক অদ্ভুত পালাবদলের প্রক্রিয়ায় ঢুকে পড়েছে। ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের খারাপ লাগতে পারে, কিন্তু বাস্তবটা হল- এই পর্বের হাত ধরে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল পাওয়ার সেন্টারে ভারসাম্য সম্ভবত খুব দ্রুত হাত বদল হতে চলেছে।

সুনীল ছেত্রীর অবসরের পর এমনিতেই ভারতীয় জাতীয় ফুটবল দলের জৌলুস অনেকটা কমে গিয়েছে। তবে তার চেয়েও বড় বিপদ হল, ভারতীয় ফুটবলে এক ধরণের স্থবিরতা কাজ করছে। ঠিক এমন সময়ে প্রতিবেশী বাংলাদেশ এক অভাবনীয় উপায়ে নিজেদের ফুটবলীয় রূপরেখা প্রতিনিয়ত আমূল বদলে চলেছে। এবং সবটাই কম বেশি ঘটছে বর্তমান আন্তর্জাতিক ফুটবল দুনিয়ার চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে।

এক্ষেত্রে সবচেয়ে চমকে ওঠার মতো বিষয় হল, বাংলাদেশ ফুটবলের এই 'বিপ্লবের' বীজ কোনও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করপোরেট বোর্ডরুমে বোনা হয়নি। এর পিছনে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন অর্থাৎ বাফুফের সেই অর্থে কোন‌ও অবদান নেই। অবদান নেই বাংলাদেশ সরকারের। এই গোটা পরিবর্তনের মূল কাণ্ডারী সম্পূর্ণভাবেই সোশ্যাল মিডিয়ার বাংলাদেশি ফুটবল ফ্যান এবং তাদের পরিচালিত পেজ ও গ্রুপগুলো।

ফেসবুককে হাতিয়ার করে বাংলাদেশি ফুটবল ফ্যানদের কামাল

Save Bangladesh Football (SBF), Supporters of Bangladesh Football (SBF Group), BangladeshiBallers, Footy Bangladesh বা Bangladesh Football Supporters Community (BFSC)-এর মতো ফেসবুকে থাকা বাংলাদেশি ফুটবল ফ্যানদের এই প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে হয়ত ভারতীয় ফুটবল ভক্তদের সেভাবে পরিচয় নেই। কিন্তু এদের কার্য পদ্ধতি ও অবদান জানলে একইসঙ্গে বিস্ময় ও আক্ষেপ তৈরি হতে পারে। বিস্ময় জাগে এদের নিখুঁত কর্মপদ্ধতি দেখে, আর আক্ষেপ হয় ভারতের সিস্টেমের সীমাবদ্ধতার কথা ভেবে।

ফেসবুক পেজ থেকে প্রেশার গ্রুপ হয়ে ওঠার গল্প

বাংলাদেশের ফুটবল প্রশাসন বা বাফুফে কাঠামোগত দিক থেকে চরমভাবে ব্যর্থ। এদের ব্যর্থ বললেও বোধহয় কম বলা হবে। এত স্থবির, বোধহীন ফুটবল ফেডারেশন আর কোন‌ও দেশে আছে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন জাগতে পারে। ফুটবল ফেডারেশন হলেও এদের নিজস্ব কোনও আন্তর্জাতিক স্কাউটিং নেটওয়ার্ক নেই। এবং আধুনিক ফুটবলের গতিশীলতা বোঝার মতো পেশাদারিত্ব‌ও নেই।

বাফুফের এই অকর্মণ্যতার শূন্যস্থানটি পূরণ করে বরং বেশ কয়েকধাপ এগিয়ে গিয়েছে বাংলাদেশের সাধারণ ফুটবল ভক্তরা। গ্যালারিতে বসে গলা ফাটিয়েই তাঁরা নিজেদের দায়িত্ব শেষ করেননি। রীতিমতো ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে দেশের জাতীয় দলের জন্য স্কাউটিংয়ের কাজ করছে।

এই ফ্যান পেজগুলোর অ্যাডমিন এবং স্বেচ্ছাসেবকরা ট্রান্সফারমার্কেট বা ফুটবল ম্যানেজার গেমের মতো প্ল্যাটফর্মের বিশাল ডাটাবেস তন্ন তন্ন করে খোঁজেন। সেখান থেকে কোনও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফুটবলারের খোঁজ পেলেই তাকে ট্র্যাক করার চেষ্টা করেন। পাশাপাশি ইউরোপ বা আমেরিকার কোনও লিগে বা অ্যাকাডেমিতে কোনও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণের খোঁজ পেলেই সরাসরি তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এক্ষেত্রে অফিশিয়াল বা প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের অপেক্ষায় না থেকে সরাসরি সেই খেলোয়াড় বা তাদের পরিবারের সদস্যদের ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, এক্স বা লিঙ্কডইন প্রোফাইলের ইনবক্সে গিয়ে মেসেজ করেন। বাংলাদেশের হয়ে ফুটবল খেলার জন্য বোঝাতে থাকেন। বোঝান যে লাল-সবুজ জার্সিতে খেললে তাঁরা কতটা ভালোবাসা পাবেন। এরপর সেই খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্সের ভিডিও ক্লিপ জোগাড় করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

সেই খেলোয়াড়ের মধ্যে তেমন কোয়ালিটি থাকলে স্বাভাবিকভাবেই তার খেলার ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়। ফলে ওই প্লেয়ারকে দেশের হয়ে খেলানোর পক্ষে বাংলাদেশের কোটি কোটি ফুটবল ভক্তের মধ্যে এক ধরনের আবেগ তৈরি হয়। সেই আবেগ জনমতে পরিণত হয়। মূলধারার বাংলাদেশি মিডিয়া তখন সেই খবর প্রকাশ করতে বাধ্য হয়।

এদিকে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন অর্থাৎ বাফুফে তাদের চিরাচরিত চরিত্র মেনে আজও এসব ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে উদাসীন থাকে। কিন্তু জনমতের চাপে তারাও শেষ পর্যন্ত নড়েচড়ে বসতে বাধ্য হয়। এরপর তারা বাংলাদেশের দ্বৈত পাসপোর্ট ব্যবস্থার সুবিধা সংশ্লিষ্ট অনাবাসী বাংলাদেশি ফুটবলারের কাছে পৌঁছে দেওয়া, ফিফা থেকে তার ক্লিয়ারেন্স নিয়ে আসার মতো কাজগুলি আগের তুলনায় অনেক দ্রুততার সঙ্গে করে।

আরও পড়ুন
আদালত পাশে থাকলেও ফোগতের কেরিয়ার নিয়ে বড় প্রশ্নচিহ্ন
ইস্টবেঙ্গলের ঘরের ছেলে মনোরঞ্জনের ‘সেই আক্ষেপ’ আজও আছে
ইতিহাস গড়েও কুৎসিত আক্রমণের মুখে বাংলার কেয়া!

বাফুফের চরম ব্যর্থতা সত্ত্বেও এই পেজগুলো কার্যত একটি শক্তিশালী প্রেশার গ্রুপ বা ছায়া স্কাউটিং নেটওয়ার্ক হিসেবে কাজ করে বাংলাদেশের ফুটবলের চেহারাই বদলে দিচ্ছে। এছাড়াও ফেসবুকভিত্তিক এই ফুটবল ফ্যানদের পেজ ও গ্রুপগুলো আন্তর্জাতিক ফুটবলের বর্তমান ডায়াসপোরা মডেল অনুসরণ করে ইউরোপ ও আমেরিকা মহাদেশের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের কাছে খোঁজ নেয়, সেখানে ফুটবল অ্যাকাডেমিতে কোনও ভালো বাংলাদেশ বংশোদ্ভূত কিশোর আছে কিনা। যদি ইতিবাচক উত্তর পায় তবে তাঁকেই বলে, সেই ছেলেটির ফুটবল খেলার বা প্র্যাকটিসের ভিডিও ক্লিপিং করে পাঠাতে। এইভাবেই বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের বাইরে বাংলাদেশ ফুটবলের জন্য এক বিকল্প ডায়াসপোরা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে বাংলাদেশের তরুণ ফুটবল ভক্তরা।

হামজা চৌধুরী এফেক্ট এবং বাংলাদেশ ফুটবলের নতুন সংস্কৃতি

এই ডায়াসপোরা বা প্রবাসী ফুটবলারদের দলে আনার প্রভাব কতটা সুদূরপ্রসারী হতে পারে তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ হামজা চৌধুরী। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা একজন ফুটবলার যখন বাংলাদেশের জার্সি গায়ে মাঠে নামেন, তখন পুরো দলের আত্মবিশ্বাস খুব স্বাভাবিকভাবেই অন্য মাত্রায় পৌঁছে যায়।

ডায়াসপোরা খেলোয়াড়দের অন্তর্ভুক্তির কারণে বাংলাদেশের ফুটবলে দুটি বড় পরিবর্তন ঘটছে। প্রথমত, দলের ট্যাকটিকাল গভীরতা এবং পেশাদারিত্ব বাড়ছে। ইউরোপের উন্নত অ্যাকাডেমিতে শেখা বল কন্ট্রোল বা পজিশনাল সেন্স যখন দেশীয় খেলোয়াড়রা কাছ থেকে দেখেন, তখন পুরো ড্রেসিংরুমের মানসিকতা বদলে যায়। দ্বিতীয়ত, এই ফ্যান গ্রুপগুলো মাঠেও এক নতুন 'আল্ট্রাস' সংস্কৃতি তৈরি করেছে। বিএফএসসি বা এসবিএফ গ্রুপের সদস্যরা গ্যালারিতে ব্যানার টিফো বা চ্যান্টের মাধ্যমে ইউরোপিয়ান ধাঁচের পরিবেশ তৈরি করছেন। বিদেশ থেকে আসা খেলোয়াড়রা এই উন্মাদনা দেখে আরও বেশি করে বাংলাদেশের প্রতি আবেগ অনুভব করছেন, অনুপ্রাণিত হচ্ছেন।

ভারতীয় ফ্যানদের আক্ষেপ এবং কাঠামোগত ব্যর্থতা

এবার আসা যাক আমাদের ভারতীয় ফুটবলের কথায়। সত্যি বলতে এখানেও Blue Pilgrims, Indian Football Network বা Halfway Football-এর মতো ভারতীয় ফ্যান গ্রুপগুলো বাংলাদেশের অনেক আগে থেকেই এই কাজগুলো করে আসছে। স্কাউটিং, ডেটা মাইনিং এবং প্রবাসী ভারতীয় ফুটবলারদের ট্র্যাক করার ক্ষেত্রে ভারতীয় ফুটবল ফ্যানরা অনেক বেশি সংগঠিত।

তারা বছরের পর বছর ধরে ইয়ান ডান্ডা বা ড্যানি বাথের মতো ইউরোপে খেলা PIO বা OCI কার্ডধারী ফুটবলারদের নিখুঁত ডেটাবেস তৈরি করেছেন। তাদের নিয়ে প্রচুর কনটেন্ট তৈরি হয়েছে এবং প্রচারও করা হয়েছে। কিন্তু চূড়ান্ত ফলাফলে ভারতীয় ফুটবল ফ্যানরা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন। এই দেশীয় ফুটবল ফ্যানদের সমস্ত পরিশ্রম এবং নিখুঁত কর্মপদ্ধতি শেষ পর্যন্ত আটকে গেছে ভারতের নাগরিকত্ব আইনের কাছে।

বাংলাদেশে যেখানে দ্বৈত নাগরিকত্বের সুযোগ আছে, সেখানে ভারত সরকার এই সুযোগ দেয় না। দ্বৈত নাগরিকত্ব তো দূরের কথা, দ্বৈত পাসপোর্ট'ও ইস্যু হয় না এই দেশে। ফলে কোন‌ও প্রবাসী ফুটবলারকে ভারতের হয়ে খেলতে হলে তার ব্রিটিশ বা ইউরোপীয় পাসপোর্ট সারাজীবনের জন্য ত্যাগ করতে হবে।

এদিকে ইউরোপের উন্নত জীবনযাপন এবং পেশাদার লিগে খেলার ক্ষেত্রে ওয়ার্ক পারমিট হারানোর মতো এত বড় ঝুঁকি কোনও বুদ্ধিমান খেলোয়াড়ই নিতে চান না। এআইএফএফ বা অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন বাফুফের চেয়ে অনেক বেশি পেশাদার হলেও এই গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এসে তারাও সম্পূর্ণ অসহায়। সরকারের উচ্চপর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে, অর্থাৎ ভারতীয় ফুটবল জাতীয় দলে অনাবাসী ভারতীয়দের বা ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের খেলার সুযোগ জন্য বহুবার আবেদন করেও এআইএফএফ কোনও বিশেষ ছাড়পত্র আদায় করতে পারেনি। ইগর স্টিমাচ যখন ভারতীয় ফুটবল দলের কোচ ছিলেন, সেই সময় তিনি ও এআইএফএফ ২০ জন ভারতীয় বংশদ্ভুত উন্নত মানের ফুটবলারের তালিকা তৈরি করে ভারত সরকারের কাছে দরবার করেছিল। ফেডারেশনের পক্ষ থেকে বিশেষ অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়েছিল, এই ২০ জনের জন্য দ্বৈত পাসপোর্টের বিশেষ অনুমতি দেওয়া হোক। কিন্তু ভারত সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, এই দেশের জাতীয় দলের হয়ে খেলতে হলে ভারতের নাগরিকত্ব গ্রহণ করতে হবে। যার অর্থ দাঁড়ায়, সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড় সেই সময় যে দেশের নাগরিক ছিলেন, সেখানকার নাগরিকত্ব ত্যাগ করে ভারতের নাগরিকত্ব নিতে হত। স্বাভাবিকভাবেই এক জাপানি ফুটবলার ছাড়া আর কেউই এই শর্ত মানেননি। ফলে ভারতের ফুটবল ফ্যানদের সমান্তরাল এবং উন্নত উদ্যোগ থাকা সত্ত্বেও সিস্টেমের বেড়াজালে ভারতীয় ফুটবল আধুনিক বিশ্বের এই ডায়াসপোরা মডেল গ্রহণ করতে পারছে না।

আগামী পাঁচ বছরের সম্ভাব্য চিত্র

বর্তমান পরিস্থিতির নির্মোহ বিশ্লেষণ করলে আগামী পাঁচ বছরের ফুটবলের মানচিত্রে একটি বড় সম্ভাব্য পরিবর্তন দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশ যদি ফ্যানদের তৈরি করে দেওয়া এই ডায়াসপোরা মডেল ধরে এগোতে থাকে, তবে খুব দ্রুতই তারা দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে একটি পরাশক্তিতে পরিণত হবে। আরও বেশ কিছু প্রবাসী তরুণ ইতিমধ্যেই তাদের পাইপলাইনে রয়েছেন। এদের হাত ধরে তাদের জাতীয় দলের শক্তি বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে এবং বাফুফেও বাধ্য হবে নিজেদের পেশাদারিত্বের মান বাড়াতে।

অন্যদিকে ভারতীয় ফুটবল যদি শুধুমাত্র ঘরোয়া লিগ এবং অ্যাকাডেমি নির্ভর হয়ে থাকে, তবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নতি অত্যন্ত ধীর গতির হবে। আধুনিক ফুটবলে মরক্কো, আলজেরিয়া বা ফিলিপাইনের মতো দেশগুলো ডায়াসপোরা মডেল ব্যবহার করে নিজেদের যে উচ্চতায় নিয়ে গেছে, আমরা সেই সুযোগ থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত হচ্ছি। এক্ষেত্রে মাথায় রাখতে হবে, প্রতিবেশী শ্রীলঙ্কার মতো দেশ‌ও ডায়াসপোরা মডেলে অনুসরণ করে নিজেদের জাতীয় দলকে আমূল বদলে ফেলার পথে এগিয়ে গেছে।

এই অবস্থায়, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ভারত সরকার তাদের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত নীতিতে কোনও বড় পরিবর্তন না আনলে, ভারতীয় ফুটবল বিশ্বমঞ্চে আরও পিছিয়ে পড়বে।

Click here to add The Fourth Axis as a trusted and preferred source on Google.

google Source Icon
কৌস্তভ ভৌমিক
কৌস্তভ ভৌমিক

কলকাতার দক্ষিণ শহরতলি বজবজে জন্ম, সেখানকার নদীর জল হাওয়ায় বেড়ে ওঠা। পড়াশোনা অর্থনীতি ও ইতিহাস নিয়ে। দীর্ঘদিন নাট্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত। দীর্ঘ নাট্য যাপনে গড়ে ওঠা। বাংলা সাহিত্যের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও অর্থসামাজিক বিষয় নিয়ে চর্চা এবং লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত। সাংবাদিকতার পাশাপাশি বাংলা ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসাবে কাজ করেন। অবসরে চুটিয়ে আড্ডা, ভ্রমণ, অজানা-অচেনা খাবারের স্বাদ চেখে দেখা।

আরও পড়ুন

sidebar-ad

অন্যান্য