১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১৮৫৬ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কোপে পড়ে লখনউয়ের সিংহাসন হারান নবাব ওয়াজেদ আলি শাহ। তাঁকে নির্বাসনে পাঠায়। নবাব এসে পৌঁছন কলকাতার উপকণ্ঠে মেটিয়াবুরুজে। হ্যাঁ, আজ মেটিয়াবুরুজ কলকাতার মধ্যে অবস্থিত হলেও তখন জায়গাটা উপকণ্ঠেই ছিল। সেখানে তিনি গড়ে তোললেন নিজের সাধের এক ছোটখাটো লখনউ। সেখানে বিশাল চিড়িয়াখানা ছিল। ছিল শিল্প, সাহিত্য আর ঠুমরির জমজমাট আসর। […]
৪ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬
কলকাতা বা তার মফস্বলের প্রতিটা পাড়ার মোড়ের পরিচিত ছবি হয়ে দাঁড়িয়েছে লাল শালুতে মোড়া হাঁড়ি বা ডেকচি। এর মানে ৮ থেকে ৮০ সকলেই জানে, বিরিয়ানির হাঁড়ি। কলকাতাবাসীর কাছে বিরিয়ানি কেবল রসনাতৃপ্তির পদ নয়; এ হল নিখাদ আবেগ, নস্টালজিয়া আর এক ঐতিহাসিক বিবর্তনের জীবন্ত দলিল। অওধের (লখনউ) নবাব ওয়াজেদ আলি শাহের হাত ধরে এই রাজকীয় পদের […]
