ashoke-dinda-bhaichung-bhutia-
৫ই মে, ২০২৬
জ্যোতি ও বুলা জিতেছিলেন
১৯৯৮ ব্যাঙ্কক এশিয়ান গেমসের সোনা জয়ী অ্যাথলিট জ্যোতির্ময়ী শিকদার এবং সাঁতারু বুলা চৌধুরী বামফ্রন্টের আমলে ভোটে দাঁড়িয়ে জেতেন । প্রথম জন লোকসভার সাংসদ হন , দ্বিতীয় জন বিধান সভার সদস্যপদ পান ।
হারেন মনোহর আইচ ও অমল দত্ত
বঙ্গ রাজনীতিতে তার আগে এবং পরেও একাধিক ক্রীড়াবিদ ভোটে লড়েছেন, কিন্তু তাদের অধিকাংশই পরাজিত হয়েছেন। বহু আগে, ১৯৭৭ সালের লোকসভা নির্বাচনে কনোজি- আংরে খ্যাত পিনাকী চট্টোপাধ্যায় দক্ষিণ কলকাতা কেন্দ্রে নির্দল প্রার্থী হিসাবে লড়েছিলেন , কিন্তু তেমন কোনও ছাপ ফেলতে পারেননি। পরবর্তী সময়ে দুই অতী বিখ্যাত ব্যক্তি বডিবিল্ডার মনোহর আইচ ও কোচ অমল দত্তও লোকসভা নির্বাচনে অবতীর্ণ হয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী হিসাবে । বিক্রমের সঙ্গে লড়েছেন, কিন্তু জয় অর্জিত হয় নি ।
নির্বাচনে বাইচুং ব্যর্থ, সফল দিন্দা, প্রসূনরা
সাম্প্রতিক কালে ভারতীয় ফুটবলের সুপার স্টার বাইচুং ভুটিয়া তৃণমূলের টিকিটে প্রথমে দার্জিলিং লোকসভা এবং তারপর শিলিগুড়ি বিধান সভা নির্বাচনে লড়াই কঠিন জেনেও , মাথা উঁচু রেখে শেষ পর্যন্ত লড়েছিলেন । বর্তমান এআইএফএফ সভাপতি , প্রাক্তন গোলরক্ষক কল্যাণ চৌবেও প্রথমে কৃষ্ণনগর লোকসভা এবং তারপর মানিকতলা বিধান সভায় বিজেপির প্রার্থী হিসাবে উদ্যমের সঙ্গে লড়েছেন , কিন্তু এক্ষেত্রেও জয় আসে নি । দীপেন্দু বিশ্বাস তৃণমূলের টিকিটে একবার বসিরহাট বিধান সভার উপনির্বাচনে দাড়িয়ে হেরে গেলেও পরের নির্বাচনে জেতেন । বাংলার প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক লক্ষ্মী রতন শুক্লা তার প্রথম বিধানসভা নির্বাচনে লড়তে নেমে শুধু যে জিতেছেন তাই নয় , একই সঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী সভায় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীও হন । তবে খেলোয়াড়দের মধ্যে নির্বাচনে সর্বাধিক সফল দেশের প্রাক্তন মিডফিল্ডার - অধিনায়ক প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমবার তৃণমূলের টিকিটে প্রসূন একটা উপনির্বাচনে জেতেন। তারপর ২০১৪ , ২০১৯ এবং ২০২৪ - টানা তিনটি লোকসভা নির্বাচনে জিতে জয়ের হ্যাটট্রিক করে প্রসূন । এই হ্যাটট্রিক আর কারোর নেই । বিদেশ বসুও আবির্ভাবেই গত বিধান সভা নির্বাচনে টিএমসির টিকিটে জিতেছিল । এবারের নির্বাচনেও সে দাড়িয়েছিল । কিন্তু হেরে গেছে ।
ভোটে জিতেছেন ক্রিকেটাররাও
২০২১ এর নির্বাচনেও দুই ক্রিকেটার লড়েছিলেন । মনোজ তিওয়ারি তৃণমূলের হয়ে এবং অশোক দিন্দা বিজেপির হয়ে । দুজনেই জেতে। লক্ষ্মীর মতো মনোজও ক্রীড়া দপ্তরের প্রতি মন্ত্রী হয় । এবার মনোজ অবশ্য ভোটে দাঁড়ায়নি। তবে দিন্দা এবারও দাড়িয়েছে এবং টানা দ্বিতীয়বার জিতলেন। আসলে এই হার - জিত নিয়েই তো জীবন । যেমন খেলার মাঠে , তেমনি ভোট - যুদ্ধেও ।
Click here to add The Fourth Axis as a trusted and preferred source on Google.
অনলাইন বাংলা ম্যাগাজিন।