কলকাতার বেহালায় জন্ম। দক্ষিণ কলকাতার এন্ড্রিউজ হাইস্কুল থেকে প্রাথমিক স্কুলিং। এরপরে আশুতোষ কলেজ রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক, রবীন্দ্রভারতী থেকে স্নাতকোত্তর, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএড, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে এমফিল করে আপাতত সাংবাদিকতার সাথে কিছু বছর যুক্ত। ভবিষ্যতে একাডেমিকসে/শিক্ষকতায় যাওয়ার ইচ্ছা। লেখালিখিতে হাতেখড়ি কলেজে পড়াকালীন সময়েই। অবসর সময়ে ভ্রমণ, ফুটবল, গিটার, পড়াশোনা, রান্না করতে ভালবাসেন।
July 24, 2026
ইউরোপ ও উত্তর-দক্ষিণ আমেরিকার বাইরে থেকে কেবল দুটি দেশ নকআউট পর্বে পৌঁছাতে পেরেছিল—মরক্কো এবং মিশর। ফলে এই ফারাওরা কেবল নিজেদের ১০০ মিলিয়ন মানুষের প্রতিনিধিত্ব করছিল না, তারা হয়ে উঠেছিল পুরো আরব বিশ্ব এবং আফ্রিকান মহাদেশের আশার আলো। লিবিয়া: ত্রিপোলির ঐতিহাসিক মার্টায়ার্স স্কোয়ারে হাজার হাজার লিবিয়ান নাগরিক মিশরের পতাকা হাতে রাস্তায় নেমে উল্লাস করেছে, গান গেয়েছে। […]
July 24, 2026
বিপ্লব-উত্তর সময়ে দীর্ঘ এক দশক ধরে মিশরের জনগণ কাটিয়েছে রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামরিক অভ্যুত্থান এবং অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে। বিগত কয়েক বছরে মিশর আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম কঠিন অর্থনৈতিক মন্দার মুখোমুখি হয়েছে। মোবারক ও বর্তমান সরকারের চোখধাঁধানো সব ‘মেগা প্রজেক্ট’-এর খরচের কারণে দেশের ঘাড়ে চেপেছে বিশাল ঋণের বোঝা। এর ফলে দেখা দিয়েছে লাগামহীন মুদ্রাস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার […]
July 24, 2026
পরদিন সকালে যে খবরগুলো আসতে শুরু করে, তা পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দেয়। স্টেডিয়ামে ঢোকার সময় নিরাপত্তার কোনো প্রাথমিক চেকিং বা মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করা হয়নি। দাঙ্গা পুলিশ বা সিকিউরিটি ফোর্সের সদস্যরা সেখানে দাঁড়িয়ে স্রেফ তামাশা দেখছিল, তারা সহিংসতা থামানোর কোনো চেষ্টাই করেনি। সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হল, পালানোর সময় দেখা যায় স্টেডিয়ামের এক্সিট গেটগুলো বাইর […]
July 23, 2026
২০০৮ সালের কাপ জয় মিশরীয়দের চোখ ফিরিয়ে রেখেছিল ২০০৭-০৮ সালের আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক মহামন্দা থেকে। আর ২০১০ সালের ট্রফি এসেছিল সুদানীয় শহর ওমদুরমানে আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের উত্তেজনাপূর্ণ ও বিতর্কিত ম্যাচের পর। সেবার আলজেরীয় সমর্থকদের সহিংস হামলায় মিশরীয় ভক্ত ও খেলোয়াড়দের বাস ভাঙচুর করা হয়েছিল। মোবারক ও তার ছেলে আলা এই হিংসাত্মক ঘটনার তীব্র নিন্দা করলেও […]
July 23, 2026
অনুভূতির শব্দকোররাস: স্মৃতির পাতায় ফুটবলের উন্মাদনা “গোল্লল্লল!” “মাসর!” বিভিন্নের বাঁশির সেই তীক্ষ্ণ শব্দ কিংবা রাস্তায় চলা গাড়ির হর্নের সেই একটানা আওয়াজ—একজন মিশরীয়র জন্য এই শব্দগুলো কেবল কোনো খেলার মাঠের হট্টগোল নয়। এই শব্দগুলো হল স্মৃতির মহাসমুদ্রে এক ফোঁটা জলের মতো, যা হোসনি মোবারকের একনায়কতন্ত্র ও স্বৈরাচারী দুর্নীতির শেষ বছরগুলোকে ঢেকে রেখেছিল। মিশরের মতো ফুটবল-পাগল দেশে […]
July 14, 2026
সংস্কৃতির এই যে বিবর্তন, তার আধুনিকতম বিজ্ঞাপন হল ফুটবল। ক্যাবো ভার্দের জাতীয় ফুটবল দলকে বলা হয় ‘টিবুরোয়েস আজুইস’ (Tubarões Azuis) বা নীল শঙ্খচিল (Blue Sharks)। এই দ্বীপের মানুষের কাছে ফুটবল কোনও বিনোদন নয়, ফুটবল হল তাদের অস্তিত্ব প্রমাণের একমাত্র মঞ্চ। গলি থেকে রাজপথ, সমুদ্রের সৈকত থেকে স্কুলের মাঠ— সর্বত্রই সেখানে বল ঘোরে। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে […]
July 14, 2026
পাঁচ শতাব্দীর পর্তুগিজ শাসন আর আফ্রিকান শেকড়ের মিশেল সবচেয়ে সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে কাবো ভার্দের সংস্কৃতিতে। স্বাধীনতার পর কাবো ভার্দের ইতিহাস আর পাঁচটা আফ্রিকান দেশের মতো সামরিক অভ্যুত্থান বা গৃহযুদ্ধের রক্তক্ষয়ী পথে হাঁটেনি, বরং তা ছিল এক দলীয় শাসন থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণের এক শান্তিপূর্ণ দৃষ্টান্ত। প্রথম দিকে গিনি-বিসাউ এবং কাবো ভার্দে এক জোট হয়ে চলার পরিকল্পনা […]
July 13, 2026
দাসপ্রথা কাগজে-কলমে ১৮৭৬ সালে বন্ধ হলেও কাবো ভার্দের দুঃখ ঘোচেনি। পর্তুগিজ স্বৈরশাসক সালাজারের আমলে দ্বীপের উত্তর প্রান্তে তাররাফাল (Tarrafal) শহরে গড়ে তোলা হয়েছিল এক কুখ্যাত কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প। ১৯৩৬ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত চলা এই ক্যাম্পে পর্তুগালের কমিউনিস্ট নেতা এবং আফ্রিকার অন্যান্য উপনিবেশের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের বন্দি করে রাখা হতো। ক্যাম্পের ডাক্তার একবার উপহাস করে বলেছিলেন, “আমি […]
July 13, 2026
চলতি বছরের (২০২৬) ফুটবল বিশ্বকাপ যখন মাঝপর্বে, তখন গোটা আফ্রিকার চোখ আটকে ছিল একটা ছোট্ট দ্বীপপুঞ্জের দিকে। নাম তার কাবো ভার্দে (Cabo Verde)। মানচিত্রে আফ্রিকার মূল ভূখণ্ডের পশ্চিম উপকূলে ছোট ছোট কিছু বিন্দুর মতো জেগে থাকা এই দেশ যে এবার বিশ্বকাপে খেলবে, সেটাই ছিল এক পরম বিস্ময়। কিন্তু তারা শুধু খেললই না, স্পেন, উরুগুয়ে আর […]
July 5, 2026
১৬টি দেশের এই টুর্নামেন্টে ইতালির প্রতিটি ম্যাচই ছিল একেকটি যুদ্ধক্ষেত্র। কোয়ার্টার ফাইনালে ইতালির মুখোমুখি হল স্পেন। সেই ম্যাচটিকে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম নিষ্ঠুর এবং সহিংস ম্যাচ হিসেবে গণ্য করা হয়। ইতালির খেলোয়াড়রা মাঠে ফুটবল খেলার চেয়ে স্প্যানিশ খেলোয়াড়দের লাথি-কনুই মারতেই বেশি ব্যস্ত ছিলেন। রেফারি যেন চোখ বন্ধ করে রেখেছিলেন। স্পেনের কিংবদন্তি গোলরক্ষক রিকার্দো জামোরা সহ বেশ […]
