১৪ই জুন, ২০২৬

info@thefourthaxis.in

The Fourth Axis

ভোটে ‘ডাবল সিকিউরিটি’! কোন জেলায় কত বাহিনী মোতায়েন

কলকাতা: প্রথম দফার ভোটকে ঘিরে নিরাপত্তায় কোনও খামতি রাখতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশকেও বড় সংখ্যায় মোতায়েন করা হচ্ছে। কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, প্রথম দফার ভোটে মোট ৪০ হাজার ৯২৮ জন রাজ্য পুলিশ দায়িত্বে থাকবেন। তবে সংখ্যার বিচারে কেন্দ্রীয় বাহিনীর তুলনায় তা অনেকটাই কম—প্রায় চার ভাগের এক ভাগ।

সবচেয়ে বেশি রাজ্য পুলিশ মোতায়েন করা হচ্ছে মুর্শিদাবাদে। কমিশন ওই জেলাকে দু’টি পুলিশ জেলায় ভাগ করেছে—মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুর। সেখানে যথাক্রমে ৪২১৬ এবং ১৫৫০ জন পুলিশ থাকবেন। সব মিলিয়ে মুর্শিদাবাদেই মোট ৫৭৬৬ জন পুলিশ মোতায়েন করা হচ্ছে।

উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই প্রথম দফায় ভোট। সেই অনুযায়ী পুলিশ মোতায়েনের ছবিটাও স্পষ্ট। দার্জিলিঙে ১১৭০, কালিম্পঙে ৬২৭, আলিপুরদুয়ারে ১১৫৯, জলপাইগুড়িতে ১৪৬৭, কোচবিহারে ২৩৭০ এবং শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটে ১২৯০ জন পুলিশ থাকবেন। মালদহে এই সংখ্যা ২৮১৮। উত্তর দিনাজপুরকেও দু’ভাগে ভাগ করা হয়েছে—ইসলামপুরে ১১১৯ এবং রায়গঞ্জে ১০০৪ জন পুলিশ মোতায়েন থাকছে।

জঙ্গলমহলেও নিরাপত্তা জোরদার। ঝাড়গ্রামে ১১০৮, পুরুলিয়ায় ৩০০৫, বাঁকুড়ায় ৩১২৭ এবং বীরভূমে ৩২৪৮ জন রাজ্য পুলিশ ভোটের দায়িত্বে থাকবেন।

একই দিনে ভোট রয়েছে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পশ্চিম বর্ধমানেও। এই তিন জেলায় যথাক্রমে ৩৯৮১, ৩৩২৭ এবং আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে ৩১২৭ জন পুলিশ মোতায়েন করা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় বাহিনী। ফাইল চিত্র।

তবে সব হিসাবকে ছাপিয়ে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি। কমিশন আগেই জানিয়েছিল, প্রথম দফায় মোট ২৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রতি কোম্পানিতে গড়ে অন্তত ৭২ জন সদস্য ধরলে, মোট বাহিনীর সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে প্রায় ১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৩০৪। অর্থাৎ রাজ্য পুলিশের তুলনায় প্রায় চার গুণ বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে ভোটের ময়দানে।

সব মিলিয়ে, প্রথম দফার ভোটে নিরাপত্তা ঘিরে ‘মাল্টি-লেয়ার’ বন্দোবস্ত—রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর যুগপৎ উপস্থিতিতে ভোট যাতে শান্তিপূর্ণ হয়, সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে কমিশন।

গুঁড়ো মশলার ফাঁদে স্বাস্থ্য? রান্নাঘরের সুবিধার আড়ালে লুকিয়ে বিপদের ইঙ্গিত

সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বদলেছে জীবনযাত্রা। দ্রুততার এই যুগে রান্নাঘরেও এসেছে বড় পরিবর্তন। একসময় শিল-নোড়ায় মশলা বাটার যে পরিচিত শব্দ ছিল, তা এখন প্রায় হারিয়ে গেছে। তার জায়গা দখল করেছে বাজারচলতি প্যাকেটের গুঁড়ো মশলা। সহজলভ্যতা ও সময় বাঁচানোর সুবিধায় এই মশলার ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এই সুবিধার আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে কি স্বাস্থ্যঝুঁকি?

বাজারে বিক্রি হওয়া বহু গুঁড়ো মশলায় সংরক্ষণ ও রং বজায় রাখতে নানা ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ভালো রাখার জন্য ইথিলিন অক্সাইডের মতো পদার্থ ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে, যা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক হতে পারে।

এছাড়াও, ওজন ও রং বাড়াতে চকের গুঁড়ো, কৃত্রিম রং, এমনকি ইটের গুঁড়ো পর্যন্ত মেশানোর নজির পাওয়া গিয়েছে বিভিন্ন পরীক্ষায়। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হল, কিছু ক্ষেত্রে ক্যাডমিয়াম বা আর্সেনিকের মতো ভারী ধাতুর উপস্থিতিও ধরা পড়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে শরীরে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।

শুধু তাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষিত গুঁড়ো মশলায় প্রাকৃতিক তেলের পরিমাণ কমে যায়, ফলে তার পুষ্টিগুণ ও গন্ধ—দুটোই হ্রাস পায়। সঠিকভাবে সংরক্ষণ না হলে ই. কোলাই বা টাইফয়েডের জীবাণু সংক্রমণের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের মশলা খেলে বদহজম, পেটের গোলমাল, গলা ও বুক জ্বালা, এমনকি জ্বর বা পেটব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

অন্যদিকে, গোটা মশলার ব্যবহার তুলনামূলকভাবে নিরাপদ বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। এতে ভেজালের সম্ভাবনা কম থাকে এবং রান্নায় ধীরে ধীরে সুগন্ধ ছড়িয়ে খাবারের স্বাদ বাড়ায়। হলুদ, দারুচিনি, এলাচ বা গোলমরিচ—প্রতিটি মশলার নিজস্ব ভেষজ গুণও বজায় থাকে বেশি।

তাহলে উপায়?

সম্ভব হলে গোটা মশলা কিনে বাড়িতেই গুঁড়ো করে ব্যবহার করা উচিত। বাজারচলতি গুঁড়ো মশলা কিনতে হলে বিশ্বস্ত ব্র্যান্ড বা বিক্রেতা বেছে নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি খাদ্যনিরাপত্তা মানদণ্ড মেনে তৈরি, FSSAI অনুমোদিত পণ্য ব্যবহারের উপর জোর দিচ্ছেন তাঁরা। সুবিধার সঙ্গে সচেতনতার ভারসাম্য বজায় রাখলেই রান্নাঘর যেমন থাকবে সহজ, তেমনই সুরক্ষিত থাকবে স্বাস্থ্যও।

বছরের প্রথম দিনেই চমক! কলকাতার বাজারে পা রাখল ম্যাকের ‘বাজেট ল্যাপটপ’ ম্যাকবুক নিও

চলতি বছরের পয়লা বৈশাখ ১৪৩৩-এ কলকাতা (Kolkata) শহর জুড়ে যখন নতুন বছরের আনন্দে মেতেছে বাঙালি, সেই সময়েই প্রযুক্তিপ্রেমীদের জন্য বড় চমক নিয়ে এল অ্যাপল (Apple Inc.)। বাংলা ক্যালেন্ডারের প্রথম দিনে সকাল সকাল পাতে লুচি তরকারি ও নানারকমের মিষ্টি মন খুশ করে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট হলেও টেক-লাভারদের (Tech-lover) আনন্দ কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিল এই খবর।

কলকাতার বাজারে ম্যাকবুক নিও- ‘বাজেট ল্যাপটপ’

নতুন প্রজন্মের নিত্যনতুন মোবাইল এবং ল্যাপটপ ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে। এছাড়া এশিয়ার বাজার এসব ক্ষেত্রে বরাবরই খুব চাঙ্গা। সেই কথা মাথায় রেখেই অ্যাপল (Apple Inc.) বায়োনিক ডিভাইস নিয়ে ম্যাকবুক হাজির হয়ে গেছে কলকাতায়। এই ব্র্যান্ড (Brand) বাজারে এল নববর্ষের খুশি বাড়িয়ে দিতে, যদিও ভারতের বাজারে কিছু আগেই এসে গেছে ম্যাকবুক নিও।

কী এর বিশেষত্ব

রেটিনা ডিসপ্লে : নতুন প্রযুক্তির ল্যাপটপে রেটিনা ডিসপ্লে থাকার কারণে এর পিক্সেল গভীরতা অনেক বেশি। ১৩-ইঞ্চি রেটিনা ডিসপ্লের আরো একটি তাৎপর্য হল, এলসিডি (LCD) এবং ওএলইডি-এর (OLED) একটি সংমিশ্রণ থাকবে ম্যাকবুক নিও ল্যাপটপে।

রেজোলিউশন: 2408 × 1506

মেমরি ও স্টোরেজ:  ৮ জিবি ইউনিফায়েড মেমরি (RAM), ২৫৬ জিবি এস এস ডি (SSD),  বেস মডেলে  

প্রসেসর (Chipset):  অ্যাপল এ-১৮ প্রো চিপ(Apple A18 Pro chip), ৬-কোর CPU (২টি performance + ৪টি efficiency core) এবং ৫-কোর GPU

ব্যাটারি:  অল-ডে ব্যাটারি লাইফ (প্রায় ১৫–১৬ ঘণ্টা ব্যবহার)

পোর্ট ও কানেক্টিভিটি:   ২টি USB-C পোর্ট ও ৩.৫mm হেডফোন জ্যাক,  ওয়াই-ফাই 6E,  ব্লুটুথ 6

দাম (ভারত) :    শুরু প্রায় ৬৯,০০০ টাকা থেকে, যা অ্যাপলের সবচেয়ে সস্তা ম্যাকবুক

ম্যাকবুক নিও মূলত ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য ডিজাইন করা একটি বাজেট-ফ্রেন্ডলি কিন্তু প্রিমিয়াম স্মুথ ইউজার এক্সপেরিয়েন্স ল্যাপটপ। এতে শক্তিশালী পারফরম্যান্স, ভালো ডিসপ্লে এবং দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ—সবকিছুর একটি ব্যালান্সড কম্বিনেশন পাওয়া যাবে। নববর্ষে বাঙালি প্রযুক্তিপ্রেমীদের, বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের হাতে ম্যাকবুক নিও তুলে দিয়ে তাদের খুশি আরও একটু বাড়িয়ে দিল বিপণন সংস্থা।

ডিজিটালের ধাক্কায় হারাচ্ছে হালখাতা, তবু পয়লা বৈশাখে ফিরে আসে ইতিহাসের শিকড়

অনলাইনের যুগে ব্যবসার খাতা এখন মোবাইলের স্ক্রিনে, হিসাবের খাতা বদলে গেছে সফটওয়্যারে। সেই সঙ্গে ক্রমশ ফিকে হচ্ছে পয়লা বৈশাখের ঐতিহ্যবাহী ‘হালখাতা’। তবুও বছর ঘুরে এই দিন এলেই দোকানের সামনে লাল খাতা, গায়ে গন্ধরাজ ফুল, আর মিষ্টিমুখের আমন্ত্রণ—এই চেনা ছবিটা পুরোপুরি মুছে যায়নি। কারণ, পয়লা বৈশাখ শুধু উৎসব নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ইতিহাস, অর্থনীতি আর বাঙালির আত্মপরিচয়ের গভীর শিকড়।

করের জটিলতা থেকেই সূচনা

পয়লা বৈশাখের জন্ম কোনও ধর্মীয় আচার থেকে নয়, বরং প্রশাসনিক প্রয়োজন থেকেই—এমনটাই মত ইতিহাসবিদদের একাংশের। মুঘল আমলে কর আদায়ের জন্য ব্যবহৃত হতো হিজরি পঞ্জিকা, যা সম্পূর্ণ চন্দ্রনির্ভর। ফলে কৃষিকাজের সময়ের সঙ্গে তার কোনও মিল ছিল না। বাংলার মতো কৃষিনির্ভর অঞ্চলে এর প্রভাব ছিল মারাত্মক। অনেক সময় ফসল ওঠার আগেই কৃষকদের খাজনা দিতে হতো। এতে অর্থনৈতিক চাপে পড়তেন চাষিরা, ব্যাহত হতো গ্রামীণ অর্থনীতি।

আকবরের সংস্কার, নতুন বর্ষপঞ্জির জন্ম

এই সমস্যার সমাধান করতে এগিয়ে আসেন মুঘল সম্রাট আকবর। তাঁর নির্দেশে তৈরি হয় এক নতুন বর্ষপঞ্জি—‘তারিখ-ই-ইলাহি’, যা সৌরবর্ষ ও হিজরি সনের সমন্বয়ে গড়ে ওঠে। ১৫৮৪ সালে এই পঞ্জিকার প্রবর্তন হলেও, তার গণনা ধরা হয় আকবরের সিংহাসনে আরোহণের সময় থেকে। পরবর্তীকালে এই পঞ্জিকাই ‘বঙ্গাব্দ’ নামে পরিচিতি পায়। আর তার প্রথম মাস—বৈশাখ।

কৃষির ছন্দেই বাঁধা নতুন বছর

বাংলার অর্থনীতি দীর্ঘদিন ধরেই কৃষিনির্ভর। তাই ফসল তোলার সময়ের সঙ্গে কর আদায়ের সময় মিলিয়ে দেওয়া ছিল অত্যন্ত জরুরি। বৈশাখ মাস সাধারণত ফসল ঘরে তোলার পরের সময়। ফলে এই সময়ে খাজনা দেওয়া সহজ হয়ে ওঠে কৃষকদের জন্য। প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয় বাস্তবসম্মত সমন্বয়। এই বাস্তব প্রয়োজনই পয়লা বৈশাখের জন্মের মূল ভিত্তি।

হিসাবের দিন থেকে উৎসবের দিন

প্রথমদিকে পয়লা বৈশাখ ছিল নিছক হিসাব মেটানোর দিন। চৈত্রের শেষে পুরনো দেনা শোধ, আর বৈশাখের প্রথম দিনে নতুন হিসাব শুরু। জমিদাররা প্রজাদের ডেকে আপ্যায়ন করতেন, মিষ্টি খাওয়াতেন, দিতেন শুভেচ্ছা। এই সামাজিক রীতিই ধীরে ধীরে উৎসবে পরিণত হয়। সময়ের সঙ্গে এই দিন হয়ে ওঠে মিলন, আনন্দ আর নতুন শুরুর প্রতীক।

 হালখাতাঐতিহ্যের ম্লান আলো

একসময় পয়লা বৈশাখ মানেই ছিল হালখাতা। দোকানে দোকানে নতুন খাতা খোলা, পুরনো হিসাব মেটানো, আর গ্রাহকদের আমন্ত্রণ জানিয়ে মিষ্টিমুখ করানো—এই ছিল রেওয়াজ। কিন্তু এখন ডিজিটাল লেনদেন, অনলাইন পেমেন্ট, অ্যাপ-নির্ভর হিসাবের দুনিয়ায় সেই খাতার গুরুত্ব কমছে। অনেক দোকানেই প্রতীকীভাবে হালখাতা হয়, আবার কোথাও তা একেবারেই হারিয়ে গেছে। তবুও এই প্রথা বাঙালির ব্যবসায়িক সংস্কৃতির এক আবেগঘন স্মৃতি হয়ে রয়ে গেছে।

উৎপত্তি নিয়ে অন্যমত

পয়লা বৈশাখের উৎপত্তি নিয়ে বিকল্প মতও রয়েছে। অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন, সপ্তম শতকের বাংলার শাসক শশাঙ্কর সময় থেকেই বঙ্গাব্দের সূচনা। তাঁর রাজ্যাভিষেক থেকেই বাংলা সনের গণনা শুরু হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। যদিও এই মত নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, তবুও ইতিহাসের আলোচনায় এটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে।

অর্থনীতি থেকে আবেগের উৎসব

সময় বদলেছে, বদলেছে পয়লা বৈশাখের চেহারাও। কর আদায়ের হিসাবনিকাশের দিন আজ পরিণত হয়েছে বাঙালির অন্যতম বড় সাংস্কৃতিক উৎসবে। নতুন পোশাক, পুজো, গান-বাজনা, মেলা, পান্তা-ইলিশ থেকে মিষ্টির থালা—সব মিলিয়ে এটি এখন আবেগের দিন, পরিচয়ের দিন।

ডিজিটালের ভিড়ে হালখাতা হয়তো হারিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু পয়লা বৈশাখ এখনও বাঁচিয়ে রেখেছে বাঙালির ঐতিহ্যের সেই চিরন্তন সুর—নতুন শুরুর আশায়, ইতিহাসের টানে।

________________________________________________________________________________________________________________