rohit-and-bumrah
৩০শে এপ্রিল, ২০২৬
ছন্দে নেই রোহিত ও বুমরাহ
ভারতের দুই নামী ক্রিকেটার এবার আইপিএলে ছন্দে নেই একেবারেই। রোহিত শর্মা এবং জসপ্রিত বুমরাহ কেউই নিজেদের সার্ভিস দিতে পারছেন না। সেই কারণেই প্রশ্ন উঠছে, দেশের সকল ক্রিকেটার কি অর্থের পিছনে ছোটেন?
কঠিন পরীক্ষা আইপিএলে
শরীর দিচ্ছে না, মন খেলার মধ্যে নেই। কিন্তু বিশ্রাম নেওয়ার নূন্যতম সুযোগ নেই। দেশের হয়ে তাও আবেদন করলে তাদের ছুটি দেওয়া যেতে পারে। আইপিএলে ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেললে সেই সুযোগও থাকে না। তাই রোহিত গত ১২ এপ্রিল বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে খেলার সময় সেই যে পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়েছেন, এখনও সুস্থ হতে পারেননি। টানা চার ম্যাচ মাঠের বাইরে বসে রয়েছেন। কিন্তু এই রোহিত শর্মা জাতীয় ক্রিকেট একাডেমিতে দিনের পর দিন থেকে নিজের ওজন ঝরিয়েছিলেন। তখন রোহিতকে খুব ফিট দেখাচ্ছিল। কিন্তু আইপিএলে এসে তিনি খেলার মতো অবস্থায় নেই। রোহিত যেহেতু সিনিয়র ক্রিকেটার তাই তাঁকে কেউ সরাসরি কেউ কিছু বলতে পারছেন না। তবে তাঁকে নিয়ে সবাই বেশ বিরক্ত। কারণ রোহিত এখন জাতীয় দলের হয়ে খেলেন না। তিনি আইপিএলে নিজের সেরাটা দেবেন, সেটা মুম্বই ইন্ডিয়ান্স টিম ম্যানেজমেন্ট আশা করেছিল। দলের অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়াকে রোহিত খেলবেন কিনা প্রশ্নের উত্তরে বেশ বিরক্ত দেখিয়েছে।
সময় খারাপ যাচ্ছে মুম্বইয়ের
চলতি আইপিএলে ছন্দে নেই মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। তারা একের পর এক ম্যাচ হারছে। গত হায়দরাবাদ ম্যাচেও ২৪৩ রান করেও হেরেছে। দলের বোলাররা একেবারেই ছন্দে নেই। দলের সিনিয়র বোলার বুমরাহ সাধারণ বোলারদের মতো মার খাচ্ছেন। বুমরাহ চার ওভার বোলিং করে ৫৪ রান দিয়ে কোনও উইকেট পাননি। সবাই বলছেন, বুমরাহ কবে থেকে খেলে চলেছেন। তাই আর ভাল বোলিং করার তাগিদ অনুভব করছেন না। কিন্তু আইপিএলে এসব কথা দলের মালিকরা শুনবেন না। তাঁরা বহু অর্থ খরচ করেছেন, ইচ্ছে না হলেও প্লেয়ারদের খেলতেই হবে।
নির্মম আইপিএল দুনিয়া
কর্পোরেট দুনিয়া খুব কঠিন। এখানে আবেগের কোনও জায়গা নেই। তাই নিজের হিসেবে কাজ না হলে সেই করে ক্রিকেটারকে বাতিল করে দিতে দুবার ভাববেন না মালিকরা। তুমি আগে কী করেছ এখানে তার কোনও দাম নেই। তাই রোহিত, বুমরাহ যাঁরা দেশের হয়ে এতকিছু করেছেন, তাঁরা ব্যর্থ হলেও কথা শুরু হয়ে যায়। অথচ বুমরা এমন বোলার যাঁকে সবাই ভয় পায়। কিন্তু আইপিএলে উইকেট না পেলেই তাঁকে ব্যর্থতার তকমা দিতে কেউ পিছপা হয় না।
Click here to add The Fourth Axis as a trusted and preferred source on Google.
অনলাইন বাংলা ম্যাগাজিন।