virat-kohli
২৫শে এপ্রিল, ২০২৬
কোহলি ফের দুরন্ত মেজাজে
বিরাট কোহলির খেলা মাঝেমধ্যে দেখে অনেক ক্রিকেট প্রেমী হাহুতাশ করেন। তিনি টেস্ট, টি ২০ ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এমন যিনি দুরন্ত ফর্মে বিরাজ করেন, তাঁর প্রতিটি শটে যেন অমোঘ বার্তা, এটাই প্রমাণ করে যে, আমি বিরাট কোহলি। আমি নিজের ছন্দে বিরাজমান। আমাকে সরাবে কার সাধ্য। আইপিএলের ম্যাচেও কোহলির ব্যাটে পুরনো ছন্দ। গত গুজরাটের বিরুদ্ধে ম্যাচে কোহলির ব্যাট থেকে এসেছে ৪৪ বলে ৮১ রানের অনবদ্য ইনিংস। ইনিংসে রয়েছে ৮টি বাউন্ডারি এবং চারটি ছক্কা। খেলার শুরুতে একটি মাত্র সুযোগ দিয়েছিলেন। ওয়াশিংটন সুন্দর ক্যাচ মিস না করলে তখনই আউট হয়ে ফিরে যান বিরাট। কিন্তু কথায় আছে, বাঘ একবার ঘায়েল হলে সে আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। কোহলিও তাই ওই সুযোগ পাওয়ার পরে বাকি ইনিংস খেলেছেন রাজকীয় ঢঙে।
বিরল নজির বিরাটের
একটা দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩০০ টি ছক্কা মেরে রেকর্ড গড়লেন কোহলি। এর আগে ক্রিস গেইল ( ৩৫৭) এবং রোহিত শর্মা ( ৩০৯) আইপিএলে বেশি ছক্কা মারার অধিকারী হলেও একটা দলের হয়ে তিনশো ছক্কা মারার নজির কারও নেই। বিরাট আইপিএলে আগাগোড়া বেঙ্গালুরু দলের হয়ে খেলেছেন। তাই তিনি যে রেকর্ড গড়লেন সেটি কারও পক্ষে ভাঙা সম্ভব নয়।
কোহলি একক ব্যাটসম্যান হিসেবে টি ২০ ক্রিকেটে দশ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন গুজরাট ম্যাচেই। কোহলির পরে আছেন রোহিত শর্মা ( ৮৫৬৩) এবং শিখর ধাওয়ান ( ৭৬২৭)।
কোহলির লন্ডনের নিবাস
বিরাট কোহলি এই মুহূর্তে ভারতে বেশি থাকেন না। তিনি ক্রিকেটের মূল স্রোত থেকে অনেকটাই সরে গিয়ে পাকাপাকিভাবে চলে গিয়েছেন লন্ডনে। সেখানে নটিং হিলের সেন্ট জনস উড নামক স্থানে বিলাসবহুল বাংলো কিনেছেন। বাড়ির পাশে একেবারে সবুজের সমারোহ। তিনি তাঁর ছেলে ও মেয়েকে লন্ডনের স্কুলে ভর্তি করেছেন। স্ত্রী অনুষ্কা শর্মা অভিনেত্রী হিসেবে সফল হলেও এখন বেছে বেছে সিনেমা করেন।
কী করে এত সফল
কোহলি লন্ডনে নিভৃতে কীভাবে নিজেকে ক্রিকেটার হিসেবে ফিট রাখেন, সেটি একেবারেই গোপনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তিনি গত এক বছর ধরে লন্ডনে রয়েছেন, অথচ কোনও পাপারাজ্জি কোহলির প্রস্তুতির ছবি ও ভিডিও ক্যামেরাবন্দি করতে পারেননি।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, কোহলির লন্ডনের বাড়ির ভিতরেই একটা আস্ত ক্রিকেট মাঠ রয়েছে তিনি সেখানে কাউন্টি খেলোয়াড়দের ডেকে প্র্যাকটিস সারেন। তিনি এই বিষয়ে খুব গোপনীয়তা বজায় রেখে চলছেন। তাই অনেকেই মনে করেন, কোহলি দূরে দেশের বাইরে থেকেও কীভাবে ম্যাচের জন্য এত ফিট। এমনিতেই কোহলি বরাবর ফিটনেস ফ্যানাটিক। তিনি জিমে মোট চার ঘণ্টার বেশি সময় দেন। তাই কোহলি আইপিএলে এসেও সমান সফল। তিনি আচরণ এবং খেলোয়াড় সুলভ মানসিকতায় বুঝিয়ে দেন তিনি কেন বাকিদের থেকে আলাদা।
Click here to add The Fourth Axis as a trusted and preferred source on Google.
অনলাইন বাংলা ম্যাগাজিন।