r n ravi
২১শে এপ্রিল, ২০২৬
বিধানসভা ভোটের মুখে ‘ভয়মুক্ত নির্বাচন’ নিশ্চিত করতে আরও একধাপ এগোল লোক ভবন। নাগরিকদের অভিযোগ সরাসরি পৌঁছে দিতে চালু হল ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইন পরিষেবা। রাজভবনের তরফে জারি করা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভোটের আগে ও পরে সম্ভাব্য হিংসা, ভয়ভীতি কিংবা অনিয়মের অভিযোগ দ্রুত গ্রহণ ও নিষ্পত্তির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।
রাজ্যপাল আরএন রবির নির্দেশে চালু হওয়া এই পরিষেবাকে ঘিরে প্রশাসনিক মহলে বাড়ছে প্রত্যাশা । এর আগে পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনের সময় ‘শান্তিকক্ষ’ চালু করে নজর কেড়েছিল রাজভবন। সেই অভিজ্ঞতাকেই এবার আরও বিস্তৃত আকারে সামনে আনা হয়েছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট ইঙ্গিত, সাম্প্রতিক সময়ে ভোট ঘিরে নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগ বেড়েছে। অতীতে একাধিক নির্বাচনে বুথ দখল, ভোটারদের ভয় দেখানো, এমনকি প্রতিবাদ করায় হেনস্থার অভিযোগ সামনে এসেছে। সেই প্রেক্ষাপটেই এই বিশেষ হেল্পলাইন—যেখানে কোনও নাগরিকই সরাসরি নিজের সমস্যা বা আশঙ্কার কথা জানাতে পারবেন।
যদিও কমিশন ইতিমধ্যেই রাজ্যে নিরাপত্তা জোরদার করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন-সহ একাধিক পদক্ষেপ করেছে, তবুও নাগরিকদের জন্য আলাদা একটি নির্ভরযোগ্য অভিযোগ মঞ্চের প্রয়োজনীয়তা ছিল বলেই মনে করছে প্রশাসন। সেই শূন্যস্থান পূরণ করতেই এই উদ্যোগ।
রাজভবনের দাবি, প্রতিটি অভিযোগ সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও গোপনীয়তা বজায় রেখে খতিয়ে দেখা হবে। শুধু অভিযোগ গ্রহণেই সীমাবদ্ধ না থেকে, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অর্থাৎ, এই হেল্পলাইন কেবল তথ্য জানানোর জায়গা নয়—বরং তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার এক সক্রিয় মাধ্যম হিসেবেই কাজ করবে।
এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য, ভোটের দিন যেন কোনও ভোটারই ভয় বা চাপে পড়ে বুথমুখো হওয়া থেকে বিরত না থাকেন। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগে আস্থা ফিরিয়ে আনাই রাজভবনের প্রধান বার্তা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই উদ্যোগ ভোট প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে পারে।
নাগরিকদের জন্য একাধিক ফোন নম্বর চালু করা হয়েছে
০৩৩-২২০০ ১০২২ / ১০২৩ / ১০২৫ / ১০২৬ / ১০২৭ / ১০২৮ / ১০২৯ / ১০৩২ / ১০৩৬
এছাড়াও, অভিযোগ বা তথ্য পাঠানোর ই-মেইল আইডি
lokbhavanbengalhelpline@gmail.com
রাজভবনের আবেদন, “গণতন্ত্রের এই উৎসবে সক্রিয়ভাবে অংশ নিন। নির্ভয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন।” ভোটের আগে এই বার্তা ভোটারদের কতটা ভরসা জোগাতে পারে, এখন সেদিকেই নজর সবার।
Click here to add The Fourth Axis as a trusted and preferred source on Google.
অনলাইন বাংলা ম্যাগাজিন।