২৭শে অক্টোবর, ২০২৬

info@thefourthaxis.in
header-ad
বিদেশযাত্রার স্বপ্নে নতুন বাধা! হঠাৎ কেন বদলে গেল ভিসার নিয়ম?

বিভিন্ন দেশের ভিসা নীতিতে পরিবর্তনের প্রভাব ভারতীয়দের উপর কতটা? ছবি - Google

বিদেশযাত্রার স্বপ্নে নতুন বাধা! হঠাৎ কেন বদলে গেল ভিসার নিয়ম?

tfa logo icon

সংক্ষিপ্তসার

ভিসার শর্তে বদল, চাপে ভারতীয় পড়ুয়া ও চাকরিপ্রার্থীরা

বিদেশে যাওয়ার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়নি। কিন্তু বদলে যাচ্ছে সেই স্বপ্ন পূরণের শর্ত। কোথাও খরচের চাপ, কোথাও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যাওয়ার সীমাবদ্ধতা, কোথাও পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগ নিয়ে অনিশ্চয়তা- সব মিলিয়ে আগাম তথ্য যাচাই এবং বাস্তবসম্মত পরিকল্পনাই এখন সবচেয়ে বড় ভরসা।

মূল বিষয়

বিদেশে পড়াশোনা করে চাকরি, পেশাগত অভিজ্ঞতা অর্জন কিংবা পরিবার নিয়ে নতুন দেশে বসবাস, লক্ষ লক্ষ ভারতীয়ের কাছে এই স্বপ্ন এখন নতুন করে হিসাব কষার বিষয়। ২০২৬ সালের অক্টোবরের সাম্প্রতিক পরিবর্তনে আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মতো জনপ্রিয় গন্তব্যে ভিসা ও অভিবাসন ব্যবস্থার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত বদলেছে। কোথাও পড়াশোনা শেষে কাজের অনুমতি নিয়ে বিপুল অঙ্কের ফি চাপানোর প্রস্তাব, কোথাও ছাত্র ভিসায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যাওয়ার সুযোগে বিধিনিষেধ। ফলে বিদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা করার আগে শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বা চাকরির প্রস্তাব পেলেই নিশ্চিন্ত হওয়ার উপায় নেই।

তবে একটি বিষয় স্পষ্ট- সব দেশে সব ভিসার নিয়ম একসঙ্গে বদলে যায়নি। কোনও পরিবর্তন কার্যকর, কোনওটি প্রস্তাবিত; আবার কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আবেদনকারী বা ভিসার শ্রেণির জন্যই নতুন শর্ত প্রযোজ্য। তাই সাম্প্রতিক খবরের সঙ্গে সরকারি নিয়মের পার্থক্য বোঝা জরুরি।

আমেরিকা: পড়াশোনা শেষে কাজের পথেই বিপুল ফি-র প্রস্তাব

বিদেশে পড়াশোনা করে আমেরিকায় কাজ করার স্বপ্ন দেখেন বহু ভারতীয় পড়ুয়া। সেই পরিকল্পনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ Optional Practical Training বা OPT কর্মসূচি। এর মাধ্যমে বিদেশি পড়ুয়ারা তাঁদের পড়াশোনার সঙ্গে সম্পর্কিত ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পান। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ইঞ্জিনিয়ারিং ও গণিতের মতো বিষয়ে পড়ুয়াদের কাছে এই সুযোগ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই কর্মসূচির খরচ বাড়ানোর প্রস্তাব ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

৮ অক্টোবর প্রকাশিত মার্কিন সরকারের প্রস্তাব অনুযায়ী, কোনও F-1 ভিসাধারী পড়ুয়ার OPT-তে প্রথম অংশগ্রহণের জন্য ৭০ হাজার ডলার এবং পরবর্তী অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে ৩০ হাজার ডলার ফি নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ভারতীয় মুদ্রায় প্রথম অঙ্কটি আনুমানিক ৬০ লক্ষ টাকারও বেশি, যদিও বিনিময় হারের সঙ্গে টাকার অঙ্ক বদলাবে।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। প্রস্তাবিত ফি সরাসরি পড়ুয়ার কাছ থেকে নেওয়ার কথা বলা হয়নি; মার্কিন সরকারের প্রস্তাব অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেই এই অর্থ দিতে হবে। প্রতিষ্ঠানগুলি সেই বাড়তি খরচ কী ভাবে সামলাবে, তার প্রভাব শেষ পর্যন্ত পড়ুয়াদের উপর পড়বে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

তবে এই নিয়ম এখনও চূড়ান্ত নয়। প্রস্তাবের উপর জনমত জানানোর শেষ তারিখ ৯ নভেম্বর ২০২৬। চূড়ান্ত বিধি প্রকাশিত হলে তার কার্যকর হওয়ার তারিখ ও শর্ত জানা যাবে। মার্কিন প্রশাসনের যুক্তি, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে OPT কর্মসূচিতে জালিয়াতি ও অপব্যবহার কমানো এবং দেশীয় কর্মীদের স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব হবে। সমালোচকদের আশঙ্কা, বিপুল অঙ্কের ফি কার্যকর হলে বিদেশি পড়ুয়াদের জন্য পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগ পাওয়া আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। অর্থাৎ, এখনই আমেরিকায় পড়তে যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করার মতো কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নেওয়ার সময় পড়াশোনার খরচের পাশাপাশি পরবর্তী কর্মজীবনের সুযোগ, OPT-র ভবিষ্যৎ এবং বিকল্প পরিকল্পনা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা জরুরি।

অস্ট্রেলিয়া: ছাত্র ভিসায় পরিবার নিয়ে যাওয়া আরও কঠিন

ভারতীয় পড়ুয়াদের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু ২ অক্টোবর ২০২৬ থেকে কার্যকর হওয়া নতুন নিয়মে ছাত্র ভিসার আবেদন এবং পরিবারের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ায় থাকা অধিকাংশ অস্থায়ী ভিসাধারী আর সে দেশে থেকেই নতুন ছাত্র ভিসার আবেদন করতে পারবেন না। এর মধ্যে কিছু কর্মভিসা এবং ছুটিতে কাজ করার ভিসাধারীরাও রয়েছেন। তবে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে- যেমন কিছু গবেষণামূলক ডিগ্রির পড়ুয়া, স্কুলে পড়াশোনার আবেদনকারী এবং বিশেষ পরিস্থিতিতে থাকা শিক্ষার্থীরা। যাঁদের অস্ট্রেলিয়ার ভিতর থেকে আবেদন করার সুযোগ নেই, তাঁদের দেশের বাইরে থেকে আবেদন করতে হবে।

পরিবার নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি বেড়েছে। সাধারণ নিয়মে নতুন বা পরবর্তী ছাত্র ভিসার আবেদনে স্বামী বা স্ত্রী এবং নির্ভরশীল সন্তানদের অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না, যদি না আবেদনকারী কোনও নির্দিষ্ট ছাড়ের আওতায় পড়েন। কিছু গবেষণামূলক পড়ুয়া, নির্দিষ্ট দেশের নাগরিক এবং সরকারি বৃত্তিপ্রাপ্তদের জন্য ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যে জমা পড়া আবেদনগুলি সাধারণত জমা দেওয়ার সময়কার নিয়ম অনুযায়ী বিবেচিত হবে। আর যাঁদের বর্তমান ছাত্র ভিসা রয়েছে, তাঁদের সেই ভিসা এই পরিবর্তনের কারণে স্বয়ংক্রিয় ভাবে বাতিল হচ্ছে না।

অস্ট্রেলীয় সরকারের বক্তব্য, ছাত্র ভিসার মূল উদ্দেশ্য যাতে পড়াশোনা থাকে এবং ভিসার অপব্যবহার কমে, সে জন্যই এই পদক্ষেপ। কিন্তু ভারতীয় পড়ুয়াদের একাংশের কাছে সমস্যা অন্য জায়গায়। যাঁরা বিয়ের পর বিদেশে পড়তে যেতে চান কিংবা সন্তান নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের নতুন নিয়ম অনুযায়ী আর্থিক ও পারিবারিক সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে হতে পারে।

শুধু ছাত্র ভিসা নয়, অস্ট্রেলিয়ার অস্থায়ী স্নাতক ভিসা বা Temporary Graduate visa-র আবেদনেও পরিবারের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করার নিয়মে পরিবর্তনের কথা জানানো হয়েছে। এই ভিসার আবেদনমূল্যও ১ জুলাই থেকে বেড়ে ৫,৭৫০ অস্ট্রেলীয় ডলার হয়েছে। ফলে পড়াশোনা শেষে দেশে থেকে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের পরিকল্পনা করা পড়ুয়াদেরও খরচের হিসাব নতুন করে করতে হচ্ছে।

ব্রিটেন: বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেই ভিসা নিশ্চিত নয়

ব্রিটেনে পড়াশোনার পরিকল্পনাতেও বাড়ছে অনিশ্চয়তা। বিদেশি পড়ুয়াদের ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নির্দিষ্ট সীমার বেশি ভিসা 

আরও পড়ুন
নতুন মহাকাশ প্রতিযোগিতা: চাঁদ থেকে মঙ্গলে আধিপত্যের লড়াই
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ না থামলে ২০২৭-এ জ্বালানিশূন্য হয়ে যেতে পারে দেশ?
পাতে খাবার কমছে, দাম বাড়ছে হু হু করে: ২৭ আর‌ও ভয়াবহ হতে পারে

প্রত্যাখ্যাত হলে কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিদেশি পড়ুয়া নিয়োগের অনুমতি হারাতে পারে, এই আশঙ্কায় কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আবেদনকারীদের ভর্তির প্রস্তাব প্রত্যাহার করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উদ্বেগ, কোনও প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়াদের ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার নির্ধারিত সীমা ছাড়িয়ে গেলে তার বিদেশি পড়ুয়া নিয়োগের ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ফলে আবেদনকারীর নথি, পড়াশোনার উদ্দেশ্য এবং ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলি আগের চেয়ে বেশি সতর্ক হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় পড়ুয়াদের মনে রাখা দরকার, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া আর ছাত্র ভিসা পাওয়া এক বিষয় নয়। ভর্তির প্রস্তাব হাতে এলেই বিদেশযাত্রা নিশ্চিত হয়ে যায় না। আবেদনকারীর আর্থিক সামর্থ্য, কোর্স বেছে নেওয়ার যুক্তি, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং প্রয়োজনীয় নথি যাচাইয়ের পরেই ভিসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ব্রিটেনে পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগ, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যাওয়া এবং স্থায়ী ভাবে থাকার পরিকল্পনা থাকলে সংশ্লিষ্ট ভিসার বর্তমান শর্ত আলাদা করে যাচাই করা জরুরি। বিশেষ করে কোনও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রস্তাব দেওয়ার পর তা প্রত্যাহার করলে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সে বিষয়েও আগে থেকে জেনে রাখা উচিত।

নিউজিল্যান্ড: দক্ষ কর্মীদের জন্য সুযোগও, নিয়মের কড়াকড়িও

ভিসা নীতির ছবিটি সব দেশে এক রকম নয়। নিউজিল্যান্ডে ২০২৬ সালের ২৪ অগস্ট থেকে দক্ষ কর্মীদের স্থায়ী বসবাসের অনুমতি এবং কাজ থেকে স্থায়ী বসবাসে যাওয়ার কয়েকটি নিয়মে পরিবর্তন কার্যকর হয়েছে। যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতা, বেতনের শর্ত এবং নির্দিষ্ট পেশায় কাজের প্রমাণের মতো বিষয়গুলি আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। এর লক্ষ্য, দেশের শ্রমবাজারের প্রয়োজনের সঙ্গে অভিবাসন ব্যবস্থাকে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করা।

এ দিকে, নিউজিল্যান্ডের একটি রাজনৈতিক দল কর্মভিসা আরও কঠোর করার প্রস্তাব দিয়েছে। সেই প্রস্তাবে প্রকৃত দক্ষ কর্মীর ঘাটতি রয়েছে, এমন পেশা ও অঞ্চলে বিদেশি কর্মী নিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। 

কেন একাধিক দেশ অভিবাসনে কড়াকড়ি বাড়াচ্ছে?

বিভিন্ন দেশের পদক্ষেপের পিছনে কয়েকটি সাধারণ কারণ রয়েছে। প্রথমত, সরকারগুলি বিদেশি পড়ুয়া ও কর্মীদের প্রবেশ এবং থাকার সময়সীমা আরও নিয়ন্ত্রিত করতে চাইছে। দ্বিতীয়ত, ছাত্র ভিসার অপব্যবহার, ভুয়ো নথি এবং নিয়ম না মেনে কাজ করার অভিযোগ রুখতে যাচাইপ্রক্রিয়া জোরদার করা হচ্ছে। তৃতীয়ত, দেশীয় কর্মীদের জন্য কাজের সুযোগ বজায় রাখা এবং শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী বিদেশি কর্মী নেওয়ার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে অভিবাসনের অর্থনৈতিক দিকও। বিদেশি পড়ুয়ারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি, বাড়িভাড়া ও দৈনন্দিন খরচের মাধ্যমে গন্তব্য দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখেন। আবার পড়াশোনা শেষে দক্ষ কর্মী হিসেবে তাঁদের ধরে রাখতে চায় অনেক শিল্পক্ষেত্র। ফলে সরকার যখন বিধিনিষেধ বাড়ায়, তখন এক দিকে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য থাকে, অন্য দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ও নিয়োগকারী সংস্থাগুলির বিদেশি প্রতিভা পাওয়ার সুযোগও প্রভাবিত হতে পারে।

তবে সব পরিবর্তনকে একই কারণে ব্যাখ্যা করা যায় না। কোনও দেশে ভিসার খরচ বাড়ছে, কোথাও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যাওয়ার সুযোগ সীমিত হচ্ছে, আবার কোথাও দক্ষ কর্মীদের স্থায়ী বসবাসের যোগ্যতার শর্ত পুনর্নির্ধারণ করা হচ্ছে। তাই ‘বিশ্বজুড়ে ভিসা বন্ধ’ বা ‘বিদেশে যাওয়ার সব পথ বন্ধ’, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছনো বাস্তবসম্মত নয়।

বিদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে কী করবেন?

বিদেশে পড়াশোনা বা চাকরির স্বপ্ন পূরণ করতে চাইলে এখন আগের চেয়ে বেশি সতর্ক পরিকল্পনা দরকার। প্রথমেই যে দেশে যেতে চান, সেই দেশের সরকারি অভিবাসন দফতরের ওয়েবসাইটে ভিসার সর্বশেষ নিয়ম দেখে নিন। সংবাদে প্রকাশিত কোনও প্রস্তাব কার্যকর হয়েছে কি না, তার নির্দিষ্ট তারিখ যাচাই করুন।

দ্বিতীয়ত, ছাত্র ভিসা, পড়াশোনা শেষে কাজের অনুমতি, অস্থায়ী কর্মভিসা এবং স্থায়ী বসবাসের অনুমতি- এগুলিকে এক করে দেখবেন না। একটির শর্ত পূরণ করলেই অন্যটির সুযোগ নিশ্চিত হয় না। তৃতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি ছাড়াও থাকা-খাওয়া, বিমা, ভিসার খরচ, পরিবারের সদস্যদের ব্যয় এবং পড়াশোনা শেষে কাজ না পেলে বিকল্প ব্যবস্থা, সব কিছুর হিসাব রাখুন।

চতুর্থত, ভিসা নিশ্চিত করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কোনও এজেন্ট বড় অঙ্কের অর্থ চাইলে সতর্ক হোন। আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারি নির্দেশিকা এবং প্রয়োজনে স্বীকৃত অভিবাসন পরামর্শদাতার সাহায্য নিন।

সবশেষে, বিদেশযাত্রার পরিকল্পনা করার সময় একটি দেশের নাম বা জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবেন না। আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা, আর্থিক সামর্থ্য, পরিবারের পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ লক্ষ্য অনুযায়ী কোন দেশের কোন ভিসা উপযুক্ত, সেটাই আগে বিবেচনা করুন।

Click here to add The Fourth Axis as a trusted and preferred source on Google.

google Source Icon
সৌমালী চক্রবর্তী
সৌমালী চক্রবর্তী

2016 সালে আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র কলেজ থেকে স্নাতক। 2020 থেকে লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত। বর্তমানে The Fourth Axis বাংলায় কর্মরত। শখ বলতে সময় পেলে সমুদ্রের কাছে যাওয়া।

আরও পড়ুন

sidebar-ad

অন্যান্য