

AI দিয়ে ডিপফেকের ফাঁদ। ছবি - Google
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারসাজিতে পরিচিত মুখের অবিকল নকল! কখনও শিল্পপতি, কখনও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব, কখনও আবার পরিচিত কারও কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে প্রতারণার জাল বুনছে সাইবার অপরাধীরা। ভুয়ো ভিডিওয় বিনিয়োগের টোপ দিয়ে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে বিপুল টাকা। গুজরাতের সুরতে এক রাজ্যসভার সাংসদের ডিপফেক ভিডিও ব্যবহার করে পুরনো কয়েন কেনাবেচার নামে প্রায় ৯.৮৪ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ সামনে এসেছে।
মুখটা চেনা, গলাটাও পরিচিত। ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, জনপ্রিয় কোনও শিল্পপতি বিপুল লাভের বিনিয়োগের পরামর্শ দিচ্ছেন। কখনও দাবি করা হচ্ছে, পুরনো নোট বা কয়েন বিক্রি করলেই মিলবে লক্ষ লক্ষ টাকা। আবার কখনও কোনও পরিচিত ব্যক্তি জরুরি প্রয়োজনে টাকা চাইছেন ভিডিও কলে। সব কিছুই এত বাস্তব যে, সাধারণ মানুষের পক্ষে আসল আর নকলের ফারাক বোঝা কঠিন হয়ে পড়ছে। অথচ ভিডিওটি তৈরি হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের সাহায্যে। প্রযুক্তির এই অপব্যবহারকেই বলা হচ্ছে ‘ডিপফেক’। আর সেই ডিপফেককে হাতিয়ার করেই বাড়ছে সাইবার প্রতারণা।
সম্প্রতি গুজরাতের সুরতে এমনই একটি প্রতারণার ঘটনা সামনে এসেছে। রাজ্যসভার সাংসদ তথা হিরে ব্যবসায়ী গোবিন্দভাই ঢোলাকিয়ার ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে ভুয়ো প্রচার চালানোর অভিযোগে হরিয়ানা থেকে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে সুরত সাইবার ক্রাইম পুলিশ। তদন্তকারীদের অভিযোগ, অভিযুক্তেরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে সাংসদের পুরনো ভিডিও ব্যবহার করে তার সঙ্গে ভুয়ো কণ্ঠস্বর জুড়ে দিয়েছিল। সেই ভিডিওয় এমন ভাবে দেখানো হয়, যেন তিনি পুরনো কয়েন ও মুদ্রা বিক্রির বিনিময়ে বিপুল টাকা পাওয়ার সুযোগের কথা জানাচ্ছেন। ভিডিওটি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরে বহু মানুষ সেই প্রস্তাবকে সত্যি বলে বিশ্বাস করতে পারেন বলে তদন্তকারীদের অনুমান।
অভিযোগ, পুরনো কয়েন বা নোটের বিনিময়ে মোটা টাকা পাওয়ার আশায় আগ্রহীদের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে অর্থ নেওয়া হত। পরে সেই টাকা আর ফেরত পাওয়া যেত না। তদন্তে অভিযুক্তদের সঙ্গে যুক্ত ১০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। দেশজুড়ে নথিভুক্ত ন’টি সাইবার অপরাধের অভিযোগের সঙ্গে ওই অ্যাকাউন্টগুলির যোগ মিলেছে। অভিযোগগুলিতে মোট প্রতারণার অঙ্ক প্রায় ৯.৮৪ কোটি টাকা।
তদন্তকারীদের দাবি, সাংসদের পরিচিত মুখ ও বিশ্বাসযোগ্য ভাবমূর্তিকে কাজে লাগিয়েই সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট সংস্থার তরফে অভিযোগ জানানো হলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। এই ঘটনায় আবারও সামনে এসেছে ডিপফেক প্রযুক্তির বিপজ্জনক দিক, কোনও ব্যক্তিকে সরাসরি প্রতারণায় যুক্ত না থেকেও তাঁর মুখ ও কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে অপরাধ চালানো সম্ভব।
‘ডিপফেক’ শব্দটি এসেছে ‘ডিপ লার্নিং’ এবং ‘ফেক’ শব্দ দু’টি থেকে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোনও ব্যক্তির মুখ, কণ্ঠস্বর, অভিব্যক্তি কিংবা কথাবার্তার ধরন নকল করে ভুয়ো ছবি, অডিয়ো বা ভিডিও তৈরি করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির প্রকাশ্যে থাকা ছবি ও ভিডিও থেকেই তাঁর মুখের আদল এবং কণ্ঠস্বর সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব।
এর পরে সেই তথ্য কাজে লাগিয়ে তৈরি করা হয় এমন ভিডিও, যেখানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে এমন কথা বলতে বা এমন কাজ করতে দেখা যায়, যা তিনি বাস্তবে কখনও করেননি। প্রযুক্তি যত উন্নত হচ্ছে, ততই এই নকলের মান বাড়ছে। ফলে শুধু ঠোঁটের নড়াচড়া বা কণ্ঠস্বর শুনে ভিডিওটি আসল কি না, তা বোঝা সব সময় সহজ নয়।
আগে ভুয়ো ভিডিও তৈরি করতে অনেক সময় লাগত এবং তার ত্রুটিও সহজে চোখে পড়ত। এখন সহজলভ্য এআই প্রযুক্তির সাহায্যে তুলনায় কম সময়েই বিশ্বাসযোগ্য নকল তৈরি করা যাচ্ছে। অপরাধীরা সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কখনও বিনিয়োগ, কখনও চাকরি, কখনও ব্যবসা, আবার কখনও ব্যক্তিগত সম্পর্কের নামে প্রতারণা চালাচ্ছে।
ডিপফেক বিনিয়োগ প্রতারণার ক্ষেত্রে অপরাধীদের কৌশল সাধারণত কয়েকটি ধাপে এগোয়। প্রথমে সমাজমাধ্যমে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব, শিল্পপতি, অভিনেতা কিংবা রাজনৈতিক নেতার মুখ ব্যবহার করে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। সেই ভিডিওয় দাবি করা হয়, নির্দিষ্ট একটি প্রকল্পে বিনিয়োগ করলে অল্প সময়েই বিপুল লাভ হবে। কখনও বলা হয়, সরকার বা কোনও পরিচিত সংস্থা এই প্রকল্পকে সমর্থন করছে। বাস্তবে সেই দাবির কোনও ভিত্তি থাকে না।
ভিডিও দেখে আগ্রহীরা লিঙ্কে ক্লিক করলে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় ভুয়ো ওয়েবসাইটে। কখনও তাঁদের হোয়াটসঅ্যাপ বা টেলিগ্রাম গোষ্ঠীতে যোগ দিতে বলা হয়। প্রথমে অল্প টাকা বিনিয়োগ করতে উৎসাহ দেওয়া হয়। তার পরে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট বা ড্যাশবোর্ডে লাভের অঙ্ক বাড়িয়ে দেখানো হয়, যাতে বিনিয়োগকারীর বিশ্বাস তৈরি হয়।
এর পর শুরু হয় আসল প্রতারণা। আরও বেশি লাভের আশায় বড় অঙ্কের টাকা জমা দিতে বলা হয়। টাকা তুলতে গেলে কর, প্রসেসিং ফি, নিরাপত্তা মাশুল কিংবা পরিচয় যাচাইয়ের অজুহাতে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। এক সময়ে ওয়েবসাইট বন্ধ হয়ে যায়, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং বিনিয়োগকারীর টাকা হাতছাড়া হয়।
সবচেয়ে বিপজ্জনক বিষয়, গোটা প্রক্রিয়ায় পরিচিত কোনও ব্যক্তির মুখ ব্যবহার করা হয়। ফলে অনেকেই ভাবেন, এমন একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি যখন বিনিয়োগের কথা বলছেন, তখন নিশ্চয়ই প্রকল্পটি বিশ্বাসযোগ্য।
ডিপফেক প্রতারণার পরিধি বিনিয়োগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এআইয়ের সাহায্যে পরিচিত ব্যক্তির কণ্ঠস্বর নকল করে ফোন বা ভিডিও কলের মাধ্যমে টাকা চাওয়ার ঘটনাও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। কোনও ব্যক্তির সামাজিক মাধ্যমের ভিডিও বা প্রকাশ্যে থাকা অডিয়ো থেকে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হতে পারে। তার পরে সেই কণ্ঠস্বর নকল করে তৈরি করা হয় ভুয়ো বার্তা। কখনও পরিবারের সদস্যের পরিচয় দিয়ে বলা হয়, তিনি বিপদে পড়েছেন এবং অবিলম্বে টাকা প্রয়োজন। কখনও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্তার পরিচয় দিয়ে কর্মীকে জরুরি ভিত্তিতে টাকা পাঠাতে বলা হয়।
এ ধরনের প্রতারণায় ভয় ও তাড়াহুড়োকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ফোনের ওপারে পরিচিত কণ্ঠস্বর শুনে অনেকেই আর দ্বিতীয় বার যাচাই করেন না। অপরাধীরা সেই সুযোগেই টাকা হাতিয়ে নেয়।
তাই শুধু কণ্ঠস্বর চিনতে পারলেই ফোনের ওপারে থাকা ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা যায় না। জরুরি আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে অন্য কোনও পরিচিত নম্বরে ফোন করে বা আগে থেকে ঠিক করা কোনও গোপন সংকেত ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করা জরুরি।
ভারতের কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম বা সার্ট-ইন ২০২৪ সালের নভেম্বরেই ডিপফেকের বিপদ নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছিল। সংস্থার পরামর্শ, কোনও সন্দেহজনক ভিডিও বা অডিয়ো দেখলে তার উৎস যাচাই করতে হবে এবং অন্য নির্ভরযোগ্য সূত্রের সঙ্গে তথ্য মিলিয়ে নিতে হবে।
কিছু ক্ষেত্রে ভুয়ো ভিডিওয় অস্বাভাবিক চোখের পলক, মুখের অভিব্যক্তির অসংগতি, ঠোঁটের নড়াচড়ার সঙ্গে কণ্ঠস্বরের অমিল, আলোছায়ার পার্থক্য কিংবা শরীরের অস্বাভাবিক নড়াচড়া চোখে পড়তে পারে। কিন্তু উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি নকল ভিডিওয় এই ত্রুটিগুলি নাও থাকতে পারে। তাই শুধু দৃশ্যমান লক্ষণ দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া নিরাপদ নয়।
বরং ভিডিওটি প্রথম কোথায় প্রকাশিত হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা সংস্থার নিজস্ব ওয়েবসাইটে একই ঘোষণা রয়েছে কি না এবং অন্য নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমে সেই খবর প্রকাশিত হয়েছে কি না, তা যাচাই করা উচিত। কোনও বিজ্ঞাপনে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বকে বিনিয়োগের পরামর্শ দিতে দেখা গেলেই সেটিকে সত্যি বলে ধরে নেওয়া যাবে না।
ভারতের ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টার বা আই৪সি-ও সমাজমাধ্যমে ভুয়ো বিনিয়োগের বিজ্ঞাপন নিয়ে সতর্ক করেছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, শিল্পপতি এবং পরিচিত ব্যক্তিত্বদের ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে বেশি লাভের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
অল্প সময়ে নিশ্চিত বা অস্বাভাবিক বেশি লাভের প্রতিশ্রুতি।
‘আজই বিনিয়োগ করুন’ বা ‘শেষ সুযোগ’ বলে তাড়াহুড়ো করানো।
পরিচিত ব্যক্তির ভিডিও দেখিয়ে কোনও অচেনা অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে টাকা জমা দিতে বলা।
বিনিয়োগের আগে ব্যক্তিগত ব্যাঙ্কের তথ্য, ওটিপি, ইউপিআই পিন বা পাসওয়ার্ড চাওয়া।
টাকা তোলার সময়ে কর, নিরাপত্তা মাশুল বা অন্য অজুহাতে অতিরিক্ত অর্থ দাবি।
সংস্থার নিবন্ধন, ঠিকানা বা যোগাযোগের তথ্য যাচাই করা না যাওয়া।
কোনও বিনিয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট সংস্থার বৈধতা যাচাই করা জরুরি। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের পরামর্শ দেওয়া কোনও সংস্থা বা ব্যক্তির ক্ষেত্রে সেবি-র নিবন্ধন প্রযোজ্য কি না, তা পরীক্ষা করা উচিত। শুধু সমাজমাধ্যমের ভিডিও দেখে কখনও টাকা পাঠানো উচিত নয়।
ভুয়ো ভিডিও দেখে টাকা পাঠিয়ে ফেললে সময় নষ্ট না করে দ্রুত পদক্ষেপ করা প্রয়োজন। প্রথমেই নিজের ব্যাঙ্ক বা সংশ্লিষ্ট আর্থিক পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাকে জানাতে হবে। লেনদেনের তথ্য, ব্যাঙ্কের বার্তা, ফোন নম্বর, ওয়েবসাইটের ঠিকানা, বিজ্ঞাপনের স্ক্রিনশট এবং কথোপকথনের নথি সংরক্ষণ করতে হবে।
ভারতে সাইবার আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ জানাতে ১৯৩০ নম্বরে ফোন করা যায়। পাশাপাশি জাতীয় সাইবার অপরাধ রিপোর্টিং পোর্টালেও অভিযোগ দায়ের করা যায়। দ্রুত অভিযোগ জানালে প্রতারণার অর্থ অন্য অ্যাকাউন্টে সরিয়ে নেওয়া আটকানোর সুযোগ বাড়তে পারে। তবে টাকা ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই।
কেউ যদি আপনার ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করে ভুয়ো কনটেন্ট তৈরি করেন, তা সমাজমাধ্যমের সংশ্লিষ্ট রিপোর্টিং ব্যবস্থায় জানাতে হবে। প্রয়োজনে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করতে হবে। প্রমাণ হিসেবে মূল ভিডিও, ভুয়ো পোস্টের লিঙ্ক এবং সংশ্লিষ্ট বার্তাগুলি সংরক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ।
ভারতে ডিপফেকের অপব্যবহার রুখতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক বিধান প্রয়োগ করা যেতে পারে। পরিচয় ভাঁড়িয়ে প্রতারণা, জাল নথি তৈরি, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন এবং বেআইনি কনটেন্ট ছড়ানোর মতো অপরাধের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব। ২০২৬ সালে কৃত্রিম ভাবে তৈরি কনটেন্টের অপব্যবহার রুখতে তথ্যপ্রযুক্তি বিধিতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে।
তবে প্রযুক্তি যত দ্রুত বদলাচ্ছে, প্রতারণার কৌশলও তত দ্রুত বদলাচ্ছে। তাই আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সমাজমাধ্যমের বিজ্ঞাপন যাচাই, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচয় নিশ্চিত করার ব্যবস্থা এবং সাধারণ মানুষের সচেতনতা বাড়ানোও জরুরি।
সবচেয়ে বড় কথা, কোনও ভিডিও যতই বিশ্বাসযোগ্য দেখাক, শুধু মুখ বা কণ্ঠস্বর দেখে কাউকে বিশ্বাস করবেন না। পরিচিত ব্যক্তির মুখ ব্যবহার করে প্রতারণা করা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করুন। অস্বাভাবিক লাভের প্রতিশ্রুতি এড়িয়ে চলুন। আর টাকা পাঠানোর আগে এক বার নয়, প্রয়োজনে একাধিক বার নিশ্চিত হয়ে নিন। কারণ ডিপফেকের যুগে চোখের সামনে দেখা দৃশ্যও যে সত্যি হবে, তার আর কোনও নিশ্চয়তা নেই।
Click here to add The Fourth Axis as a trusted and preferred source on Google.
2016 সালে আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র কলেজ থেকে স্নাতক। 2020 থেকে লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত। বর্তমানে The Fourth Axis বাংলায় কর্মরত। শখ বলতে সময় পেলে সমুদ্রের কাছে যাওয়া।
