৮ই জুন, ২০২৬

info@thefourthaxis.in

The Fourth Axis

header-ad

ফোন ‘সুইচড অফ’ মানেই বিপদ! ভোটের আগে আধিকারিকদের সতর্ক করল কমিশন

ফোন ‘সুইচড অফ’ মানেই বিপদ! ভোটের আগে আধিকারিকদের সতর্ক করল কমিশন

wb assembly election 2026

ফোন ‘সুইচড অফ’ মানেই বিপদ! ভোটের আগে আধিকারিকদের সতর্ক করল কমিশন

প্রথম দফার ভোটের ঠিক এক দিন আগে প্রশাসনিক স্তরে কড়া বার্তা দিল নির্বাচন কমিশন। ভোটের সঙ্গে যুক্ত সমস্ত আধিকারিকদের জন্য জারি হল স্পষ্ট নির্দেশ—ফোন সর্বক্ষণ খোলা রাখতে হবে, এবং কোনও অবস্থাতেই কল এড়ানো চলবে না। ফোন বন্ধ রাখা বা ইচ্ছাকৃতভাবে না ধরার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে কঠোর পদক্ষেপ।
সোমবার জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন জানায়, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেই কারণেই সব স্তরের নির্বাচনী আধিকারিকদের ‘রিয়েল-টাইম’ যোগাযোগে থাকতে হবে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, সব ধরনের পর্যবেক্ষক, জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও), পুলিশ সুপার, রিটার্নিং অফিসার এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসারদের নিজেদের মোবাইল নম্বর সংশ্লিষ্ট ডিইও-র ওয়েবসাইটে আপলোড করতে হবে।
কমিশনের বক্তব্য, ভোটার বা প্রার্থী—কেউ যদি জরুরি পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারেন, তা হলে সেটিকে দায়িত্বে গাফিলতি হিসেবে ধরা হবে। শুধু ফোন খোলা রাখাই নয়, সেটি যাতে কার্যকর থাকে, তার জন্য পর্যাপ্ত চার্জ বজায় রাখার ব্যবস্থাও রাখতে হবে বলে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, ভোটের সময়ে বহু ক্ষেত্রে অভিযোগ ওঠে যে জরুরি মুহূর্তে ফোনে পাওয়া যায় না দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের। বিশেষ করে বুথে অশান্তি, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন বা নির্বাচনী বিধিভঙ্গের মতো ঘটনায় দ্রুত হস্তক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়ে। সেই প্রেক্ষিতেই কমিশনের এই কড়া অবস্থান বলেই মনে করা হচ্ছে।
এ ছাড়াও কমিশন জানিয়েছে, জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের দায়িত্ব থাকবে নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেক আধিকারিকের মোবাইল নম্বর জনসমক্ষে তুলে ধরা। পাশাপাশি রাজ্য, জেলা এবং বিধানসভা কেন্দ্র স্তরের কন্ট্রোল রুমের ফোন নম্বরও ব্যাপকভাবে প্রচার করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ সহজেই প্রয়োজনীয় সহায়তা পেতে পারেন।
কমিশনের এই নির্দেশ শুধু ভোটের দিনেই সীমাবদ্ধ নয়। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, ভোটের দিন থেকে শুরু করে তার পরের দিন পর্যন্ত এই নির্দেশ কার্যকর থাকবে। অর্থাৎ গণনা-পূর্ববর্তী সংবেদনশীল সময়েও যাতে কোনও ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন না হয়, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন।
রাজনৈতিক মহলের একাংশ অবশ্য এই নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছে। তাঁদের মতে, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে দ্রুত যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে অন্যদিকে কিছু মহল মনে করছে, শুধুমাত্র নির্দেশ জারি করলেই হবে না, তার বাস্তব প্রয়োগ কতটা হচ্ছে, সেটাই আসল পরীক্ষা।
ভোটের আগে কমিশনের এই কড়া বার্তা যে প্রশাসনিক তৎপরতা আরও বাড়াবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এখন দেখার, মাঠের লড়াইয়ে এই ‘ফোন অন’ নির্দেশ কতটা কার্যকর হয়।

Click here to add The Fourth Axis as a trusted and preferred source on Google.

google Source Icon
দ্য ফোর্থ অ্যাক্সিস ডেস্ক

দ্য ফোর্থ অ্যাক্সিস ডেস্ক

অনলাইন বাংলা ম্যাগাজিন।

আরও পড়ুন

sidebar-ad

অন্যান্য