৮ই জুন, ২০২৬

info@thefourthaxis.in

The Fourth Axis

header-ad

৪৮ ঘণ্টা ‘ড্রাই ডে’, গণনার দিনেও মদে নিষেধাজ্ঞা! ভোটের মুখে কড়া কমিশন

৪৮ ঘণ্টা ‘ড্রাই ডে’, গণনার দিনেও মদে নিষেধাজ্ঞা! ভোটের মুখে কড়া কমিশন

no alcohol day

৪৮ ঘণ্টা ‘ড্রাই ডে’, গণনার দিনেও মদে নিষেধাজ্ঞা! ভোটের মুখে কড়া কমিশন

ভোট যত এগোচ্ছে, ততই কড়া হচ্ছে শাসন। নির্বাচনের ময়দানে যেন কোনওভাবেই না ঢোকে ‘মদের ছায়া’— সেই লক্ষ্যেই এবার কড়া পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। ঘোষণা করা হল, ভোটের অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকেই কার্যকর হবে ‘ড্রাই ডে’। শুধু তাই নয়, ফল ঘোষণার দিনও মদ বিক্রি ও পরিবেশন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

রাজ্যে আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফা এবং ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। এই দুই পর্বের আগেই সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে চালু হবে এই নিষেধাজ্ঞা। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে কোনওভাবেই মদ বিক্রি, পরিবেশন বা সরবরাহ করা যাবে না— হোক তা দোকান, বার, রেস্তোরাঁ বা ক্লাব।

এই নিয়ম শুধু পশ্চিমবঙ্গেই সীমাবদ্ধ নয়। একইসঙ্গে প্রযোজ্য হবে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরির নির্বাচনী এলাকাগুলিতেও। অর্থাৎ গোটা দেশজুড়েই ভোটের আবহে ‘ড্রাই ডে’-র কড়াকড়ি জারি রাখছে কমিশন।

নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম দফার ভোট ২৩ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার ভোট ২৯ এপ্রিল। প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভোটের আগে ৪৮ ঘণ্টা ‘ড্রাই ডে’ কার্যকর থাকবে। এমনকি কোনও কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচন বা রি-পোল হলে সেই দিনটিও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে। এতেই শেষ নয়— ৪ মে, যেদিন ভোট গণনা, সেদিনও একই নিয়ম বলবৎ থাকবে। ফল ঘোষণার উত্তেজনার দিনেও তাই ‘চিয়ার্স’ নয়, সংযমই বার্তা।

আইনি ভিত্তিও স্পষ্ট। ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের আওতায় এই নির্দেশ কার্যকর করা হয়েছে। ফলে লাইসেন্সপ্রাপ্ত স্টার হোটেল বা ক্লাবগুলিও কোনওভাবেই এই নিয়মের বাইরে নয়। কড়াকড়ি শুধু বিক্রিতে সীমাবদ্ধ থাকছে না— ব্যক্তিগতভাবে অতিরিক্ত মদ মজুত রাখার ক্ষেত্রেও নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। আবগারি দপ্তর ইতিমধ্যেই সতর্ক, লাইসেন্স ছাড়া কোথাও মদ মজুত থাকলে নেওয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।

কমিশন সূত্রের খবর, অতীতের অভিজ্ঞতাই এই সিদ্ধান্তের মূল। বহু ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, ভোটের আগে বা ফল ঘোষণার দিনে মদ্যপ অবস্থায় অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হয়েছে। গত এক দশকেরও বেশি সময়ের ভোট-ইতিহাস বিশ্লেষণ করেই এই কড়া অবস্থান নেওয়া হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ‘ড্রাই ডে’ শুধুই প্রশাসনিক নিয়ম নয়— এটি একটি স্পষ্ট বার্তা। ভোট উৎসব হোক, কিন্তু শৃঙ্খলার ভিতরে থেকেই— সেটাই নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন। সব মিলিয়ে, নির্বাচনী উত্তাপে এবার বাড়তি ‘ঠান্ডা’ রাখতেই এই সিদ্ধান্ত। এখন দেখার, এই কড়া নজরদারি কতটা মসৃণ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে পারে।

Click here to add The Fourth Axis as a trusted and preferred source on Google.

google Source Icon
দ্য ফোর্থ অ্যাক্সিস ডেস্ক

দ্য ফোর্থ অ্যাক্সিস ডেস্ক

অনলাইন বাংলা ম্যাগাজিন।

আরও পড়ুন

sidebar-ad

অন্যান্য