২৯শে অক্টোবর, ২০২৬

info@thefourthaxis.in
header-ad
দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিংয়ে আম বাঙালির দায়

দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং। ছবি - AI

দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিংয়ে আম বাঙালির দায়

পালা পালা পালা…

ওরে ওদিকে যাসনি রে…

পাড়াতে ঢুকে পড়েছে, আমাদের সব কই গেল?

এত রাতে সবকটা ঘুমোচ্ছে, এখন‌ই ঝাঁপিয়ে পড়ি চ, একটাকেও বাঁচতে দিবুনি..

কোন‌ও কাল্পনিক সংলাপ নয়। বহু রক্তের বিনিময়ে 'যে' স্বাধীনতা আমাদের ভাগ্যে জুটেছে তার প্রেক্ষাপটটা এমনই ছিল। আলকাতরার চেয়েও কালো ছিল স্বাধীনতার পূর্ব মুহূর্তের সেই দিনগুলো।

বাঙালির সাধের গালভারী অসাম্প্রদায়িকতা চরিত্রের মুখে ইতিহাসের সপাটে থাপ্পড় হল ছেচল্লিশের দাঙ্গা। তবে এমন থাপ্পড় বাঙালির চরিত্রে অতীতে আরও অনেক আছে।

৪৬-এর সেই কালো দিন

১৯৪৬ সালের ১৬ থেকে ১৮ অগস্ট, এই তিন দিনের তাণ্ডব ইতিহাসের পাতায় 'দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং' নামে কুখ্যাত হয়ে আছে। এই কলঙ্কের বদহজম বাঙালির গা থেকে কোনদিনও যাবে না। এই সময় কলকাতার বুকে হিন্দু-মুসলমান একে অপরকে যেভাবে কচুকাটা করেছিল তার জুড়িমেলা ভার! বন্ধু বন্ধুর বুকে ছোরা বসিয়ে দিতে বা পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে বন্ধুর মাথা লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে আল্লাহু আকবর বা জয় মা কালী স্লোগান দিতে সেদিন কিন্তু বাঙালির‌ অন্তরআত্মা কেঁপে ওঠেনি!

তার‌ই ফলে এক রাতেই কলকাতার ওড়িয়া শ্রমিক পট্টি পুরো খালি হয়ে গিয়েছিল। না, কেউ পালানোর সুযোগটুকুও পাননি। সবাইকে, সংখ্যাটা প্রায় ৫০০ এর কাছাকাছি, এক রাতেই মেরে লাশ করে দিয়েছিল দাঙ্গাবাজরা। বড়বাজার, মল্লিকপুর, মেটিয়াবুরুজে কচুকাটা হয়েছিল হাজারে হাজারে…

দুঃস্বপ্নের প্রেক্ষাপট

দেশভাগের প্রেক্ষাপট নির্মাণের কাজ আর‌ও জোরদার করতে ১৯৪৬ সালে বাংলা এবং পাঞ্জাবকে সচেতনভাবে টার্গেট করা হয়েছিল। ৪৬ সালের ১৬ অগস্ট 'ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে'-এর ডাক দিয়েছিল মুসলিম লিগ। তারই সূত্র ধরে এই বীভৎসতার সূচনা হয়।

ফলে এই নরমেধ যজ্ঞ শুরুর দায় মুসলিম লিগ কোন‌ওভাবেই এড়িয়ে যেতে পারে না। তবে মুসলিম লিগের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল কলকাতার শহিদ মিনার চত্বরে বিপুল মুসলমানের জমায়েতের মধ্য দিয়ে জনসভা করে ব্রিটিশ রাজের উপর চাপ বাড়ানো। যাতে পাকিস্তানের দাবি লন্ডন মেনে নেয়। কিন্তু তখন সবাই রাজনীতির হিসাব-নিকাশের তপ্ত তাওয়ায় রুটি সেঁকছিলেন। মুসলিম লিগ যেমন তার ফায়দার কথা ভাবছিল, অপরদিকে কংগ্রেস এবং হিন্দু মহাসভাও একই পথেই চলছিল। স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করতে গিয়ে বহু আত্মহত্যাগের কাহিনী শুনেছি আমরা। ঠিক, দেশের জন্য হাজার হাজার স্বাধীনতা সংগ্রামী আত্মবলিদান দিয়েছেন। নিজেদের সবকিছুকে বাজি ধরে দেশকে মুক্ত করার লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু তা বলে সেখানে সবকিছুই অমৃত সমান নিষ্কলুষ, কোথাও কোন‌ও ছক, ফায়দা লাভের আকাঙ্ক্ষা, চাওয়া-পাওয়ার ভাবনা ব্যতিরেক সবকিছু হঠাৎই ঘটে গিয়েছিল, এমন ভাবাটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।

তখন কংগ্রেসের লক্ষ্যই ছিল মুসলিম লিগকে যতটা পারা যায় কোণঠাসা করে দেওয়া। যাতে প্রস্তাবিত পাকিস্তানে যতটা সম্ভব কম ভূখণ্ড যায়। দেখুন, প্রকাশ্যে যাই বলে থাকুক না কেন, বাস্তব হল কংগ্রেস নেতারা ততদিনে বুঝে গিয়েছিলেন দেশভাগ হবেই। খুব স্বাভাবিকভাবেই মুসলিম লিগ কর্মসূচির ডাক দিলে কংগ্রেস তার বিরোধিতা করে। এদিকে হিন্দু মহাসভার গোটা রাজনীতিটাই মুসলিম লিগের প্রতিস্পর্ধী হিসাবে। ফলে তারা যে ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে-এর পাল্টা অ্যাকশনের ময়দানে নামবে সেটাই স্বাভাবিক ছিল। আর মুসলিম লিগ তো পুরোপুরি নিজেদের ফায়দা, প্রোপাগান্ডা চরিতার্থ করার জন্য‌ই সেদিন ময়দানে নেমেছিল। সেটা 'বঙ্গবন্ধু' শেখ মুজিবর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী থেকে শুরু করে তৎকালীন মুসলিম লিগ নেতাদের বিভিন্ন কথাবার্তা থেকেই পরিষ্কার হয়ে যায়।

আরও পড়ুন
বনেদি বাড়ির গুপ্তঘরের রহস্য
দ্বৈত চরিত্রই বাঁচিয়ে রেখেছে ‘বাবু কালচার’
কলকাতার বুকেই ছিল এক টুকরো চিন! ডাম্পলিংয়ের ধোঁয়া, লাল লণ্ঠনের আলো আর হারিয়ে যাওয়া এক পাড়ার গল্প

নেপথ্যের হিসাব-নিকাশ

হঠাৎ করে ৪৬-এর দাঙ্গা হয়নি। সেই সময় মূল দুটি পক্ষ বা হিন্দু মহাসভাকে জুড়লে তিনটি রাজনৈতিক পক্ষ নিজস্ব অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও ছক কষছিল। যা কার্যত ওপেন সিক্রেট। ফলে আমজনতার‌ও কিছুই অজানা ছিল না। তবু শ্যামের বাঁশি বাজলেই শ্রী রাধিকা যেমন ব্যাকুল হয়ে ছুটে আসেন, ঠিক সেইভাবেই বাঙালি সব বুঝেও সেই দিন বোধহয় না বোঝার ভান করেছিল। নিজের বন্ধু সহকর্মী প্রতিবেশীকে শ্রেফ ধর্মীয় পরিচয়ে চিনতে চেয়েছিল সেইদিন। ফলাফল- যেমন বঁটিতে মোলায়েম করে কচু কাটে, আক্ষরিক অর্থে সেইভাবেই একে অপরকে কেটেছিল!

এমন নৃশংসতা ও রণতাণ্ডব চাইলেই কেউ ঘটিয়ে উঠতে পারে না, যদি না ভেতরে মারাত্মক জিঘাংসার বিষ ব‌ইতে থাকে। দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং-এর মতো মাত্রায় এত ভয়াবহ দাঙ্গার উদাহরণ খুব বেশি নেই। ১৯৪৬ সালের ওই নিধনযজ্ঞের লক্ষ্য‌ই ছিল স্বাধীনতার সময় কার ভাগে কতটা ভূখণ্ড আসবে তা নির্ধারণ করার লড়াইয়ে জেতা বা যতটা বেশি পারা যায় ছিনিয়ে নেওয়া। আজকের দিনে হয়ত তেমন আকারে ভয়াবহ কিছু ঘটছে না, কিন্তু মনের বিষটা আদৌ গেছে?

ইতিহাস প্রমাণ বাঙালি যথেষ্ট সাম্প্রদায়িক

ইতিহাসের একের পর এক ঘটনা প্রমাণ করে দেয় বাঙালি বরাবরই সাম্প্রদায়িক… আজ নয়, বহুদিন ধরেই বাঙালি ধর্মের নামে একে অপরকে চিনতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।

ভক্তি আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বঙ্গে ভালোবাসার বাণী ছড়িয়ে দিয়েছিলেন শ্রীচৈতন্যদেব। তবে সেই শুরু ছিল তা কিন্তু নয়। বরং তারও অনেকটা আগে থেকে সেখানে মিলেমিশে থাকার সহিষ্ণুতাই মোটামুটি প্রচলিত ছিল। চৈতন্যের হাত ধরে তা সুখের মহামারী রূপে আরও ছড়িয়ে পড়ে, ধ্বনিত হয় বাংলার ঘরে ঘরে।

এই প্রসঙ্গে অনেকেই শ্রী রামকৃষ্ণের সময়ের কথা টেনে আনতে পারেন। দেখুন শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব এই সহিষ্ণুতার পক্ষের একজন অন্যতম ধ্বজাধারী ছিলেন। তাঁর শিষ্যকূলের মধ্যেও বেশির ভাগই সেই ধ্বজা বহন করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ততদিনে সময়টা বদলে গেছে। বিধবা বিবাহের পক্ষে কথা বলে শোভাবাজারের রাজা রাধাকান্ত দেবের চ্যালাদের কাছে মার খেতে হয়েছে স্বয়ং বিদ্যাসাগরকে। সেটাও ওই সময়কালেরই ঘটনা।

আসলে বাঙালিকে বাঙালির থেকে হিন্দু-মুসলমান সত্ত্বায় এইভাবে বদলে দেওয়ার মূল কাণ্ডারি ইংরেজরা। ব্রিটিশ রাজ বাংলা তথা অখণ্ড ভারতবর্ষে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখার জন্য গোড়া থেকেই ধর্মীয় বিভাজনকে হাতিয়ার করেছিল। তারা পরিষ্কার বুঝেছিল, ধর্মের ভিত্তিতে যদি দু'পক্ষকে পরস্পরের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া যায় তাহলে তাদের দিকে নজর দেওয়ার সময়‌ই পাবে না বাঙালিরা, ভারতীয়রা। ব্রিটিশদের এই ছক যথেষ্ট সফল হয়েছিল। মধ্যে একটা সিপাহী বিদ্রোহ ঘটলেও আদতে বিংশ শতকের আগে পর্যন্ত স্বাধীনতা আন্দোলন নিয়ে খুব একটা সমস্যায় পড়তে হয়নি ব্রিটিশদের। এবং পরের স্বাধীনতা আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করলেও শেষ অব্দি ব্রিটিশদের এই ছক'ই তো সফল হয়েছে! দেশভাগ তো সেটাই বলছে।

দেখুন কুচক্রী ব্রিটিশ রাজের ছকে রবীন্দ্রনাথের 'সোনার বাংলা' ভেঙে দু'টুকরো হয়ে যায়। ব্রিটিশ এই একই ছক, ফর্মুলা ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন সমস্যার ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করে দারুন সফল হয়েছে। গোটা মধ্য প্রাচ্যটাকেই বরাবরের জন্য বারুদের স্তূপ বানিয়ে দিয়ে কেটে পড়েছে ব্রিটিশ রাজ পরিবার।

ওইদিন ঘটনাক্রম কেমন ছিল?

১৯৪৬ সালের দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং বা দেশভাগ নিয়ে সেই সময় একের পর এক যে সব সাম্প্রদায়িক অশান্তি ও দাঙ্গা হয়েছে তার বেশিরভাগই কিন্তু তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার চেয়েছিল বলে হয়েছে। ১৯৪৬ সালের ১৬ অগস্ট মহম্মদ আলি জিন্নাহ'র ঘোষিত ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে-এর দিন দুপুরের পর থেকে যখন শহরজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, হানাহানি শুরু হয়ে যায় ঠিক সেই সময় কলকাতার রাজপথে একটাও ব্রিটিশ পুলিশকে দেখা যায়নি। অবশ্যই এই ঘটনায় অন্যতম অনুঘটক হিসাবে কাজ করেছিলেন তৎকালীন বেঙ্গল প্রভিন্সের প্রধানমন্ত্রী (পড়ুন মুখ্যমন্ত্রী) হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দি'র ন্যাক্কারজনক ও ঘৃণ্য ভূমিকা। মহম্মদ আলি জিন্নাহ মুসলিম লিগের সভাপতি হিসাবে মূলত ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের লক্ষ্যেই ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু সোহরাওয়ার্দি, মুজিবর রহমানের মত মুসলিম লিগের বাংলার নেতারা সুচারুভাবে সেটাকে দাঙ্গায় পর্যবসিত করেন।

সোহরাওয়ার্দি'র সঙ্গে বাংলার গভর্নরের তখন যথেষ্ট সুসম্পর্ক ছিল। বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা যায়, লালবাজার যাতে দাঙ্গা থামানোর চেষ্টা করতে না পারে তার জন্য শহিদ মিনারে লাখো মুসলমান জনতার জমায়েতে উস্কানিমূলক বক্তৃতা দেওয়ার পরই সোহরাওয়ার্দি কলকাতা পুলিশের ট্রাফিক কন্ট্রোল নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। পুলিশ কর্তাদের বুঝিয়েছিলেন, ট্রাফিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণটা বেশি জরুরি। এভাবেই তিনি একটা বড় সময় জুড়ে অরাজকতা ছড়ানোর কার্যত সুযোগ করে দিয়েছিলেন। আর তার মধ্যে যা বিপর্যয় ঘটার তা ঘটে যায়। কারণ ততক্ষণে দাঙ্গা আজকের উত্তর ও মধ্য কলকাতা জুড়ে সম্পূর্ণরূপে ছড়িয়ে পড়েছিল।

অবশ্য পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ হবে সেটা হয়ত সোহরাওয়ার্দি, মুজিবরাও সেদিন অনুমান করতে পারেননি। তাই পরবর্তীতে গভর্নরের কাছে সেনা নামানোর আর্জি জানিয়েছিলেন বেঙ্গল প্রভিন্সের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু সেই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ সরকারের অবস্থান ছিল আরও ন্যাক্কারজনক। তারা অলিখিত ঘোষণা করেই দেয়, যাবতীয় সেনাকে ব্রিটিশ নাগরিকদের নিরাপত্তার কাজে লাগানো হবে, দাঙ্গা থামাতে ময়দানে নামার দরকার নেই।

ফলে বেলাগাম কাটাকাটি চলতে থাকে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে। যদিও পরে মুসলিম লিগ ও কংগ্রেসের শীর্ষস্তরের নেতাদের চাপে ব্রিটিশ সেনা আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ময়দানে নামাতে বাধ্য হয়েছিল। কিন্তু তাতেও ১৬, ১৭ ও ১৮ অগস্ট এই তিন দিনে চূড়ান্ত বীভৎসতা প্রত্যক্ষ করেছিল বাঙালি।

একটা বিষয় খুব পরিষ্কার, দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং-এর পিছনে রাজনৈতিক নেতা ও রাজনৈতিক দলগুলির স্বার্থসিদ্ধি এবং চক্রান্তের গল্প যদি থাকে, তবে তা বহনকারীর ভূমিকায় ছিল বাঙালি আমজনতা।

Click here to add The Fourth Axis as a trusted and preferred source on Google.

google Source Icon
কৌস্তভ ভৌমিক
কৌস্তভ ভৌমিক

কলকাতার দক্ষিণ শহরতলি বজবজে জন্ম, সেখানকার নদীর জল হাওয়ায় বেড়ে ওঠা। পড়াশোনা অর্থনীতি ও ইতিহাস নিয়ে। দীর্ঘদিন নাট্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত। দীর্ঘ নাট্য যাপনে গড়ে ওঠা। বাংলা সাহিত্যের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও অর্থসামাজিক বিষয় নিয়ে চর্চা এবং লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত। সাংবাদিকতার পাশাপাশি বাংলা ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসাবে কাজ করেন। অবসরে চুটিয়ে আড্ডা, ভ্রমণ, অজানা-অচেনা খাবারের স্বাদ চেখে দেখা।

আরও পড়ুন

sidebar-ad

অন্যান্য