sleep-deprived-sleeping-pills
২৪শে এপ্রিল, ২০২৬
ব্যস্ততার এই সময়ে ঘুম যেন বিলাসিতা। নাইট শিফট, হাইব্রিড কাজ, তার সঙ্গে উদ্বেগ-অবসাদ ! সব মিলিয়ে নষ্ট হচ্ছে স্বাভাবিক ‘স্লিপ সাইকেল’। আর সেই সুযোগেই অনেকের কাছে সহজ সমাধান হয়ে উঠছে ঘুমের ওষুধ। কিন্তু চিকিৎসকদের সতর্কবার্তা— এই অভ্যাসই ডেকে আনতে পারে দীর্ঘমেয়াদি বিপদ।
'স্লিপ সাইকেল'
ঘুম নিজেই শরীরের সবচেয়ে বড় ওষুধ। সাধারণত ৯০ থেকে ১১০ মিনিটের কয়েকটি চক্রে সম্পূর্ণ হয় স্বাভাবিক ঘুম, যা শরীর ও মনের পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। কিন্তু অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম, শোওয়ার আগে মোবাইল ব্যবহার, বেশি কফি বা চা— এই সব অভ্যাস সেই ছন্দকে ভেঙে দিচ্ছে।
সমস্যা
সমস্যা শুরু হয়, যখন সামান্য অনিদ্রাতেই ওষুধের ওপর নির্ভরতা তৈরি হয়। দীর্ঘদিন ঘুমের ওষুধ খেলে শরীরে তৈরি হয় ‘ডিপেন্ডেন্সি’— অর্থাৎ একই প্রভাব পেতে বাড়াতে হয় ওষুধের মাত্রা। ধীরে ধীরে সেই ওষুধ ছাড়া ঘুম আসাই কঠিন হয়ে পড়ে।
এর প্রভাব শুধু ঘুমেই সীমাবদ্ধ নয়। ঘুমের ওষুধ দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে কমতে পারে স্মৃতিশক্তি, বাড়তে পারে বিভ্রান্তি, সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হওয়া। দিনের বেলায় ঘুমঘুম ভাব, মাথা ভার লাগা— এই সমস্যাগুলিও খুব সাধারণ। আরও বিপজ্জনক, হঠাৎ করে ওষুধ বন্ধ করলে ফের অনিদ্রা বাড়তে পারে।
কী করবেন?
এই অভ্যাসগুলোই ফিরিয়ে আনতে পারে স্বাভাবিক ঘুম। আর দীর্ঘদিনের সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। প্রেসক্রিপশন মেনে সীমিত সময়ের জন্যই ঘুমের ওষুধ ব্যবহার করা উচিত— নইলে সাময়িক স্বস্তির আড়ালে লুকিয়ে থাকতে পারে এক গভীর নির্ভরতার ফাঁদ।
Click here to add The Fourth Axis as a trusted and preferred source on Google.
কলকাতায় জন্ম। উত্তর কলকাতার হোলি চাইল্ড ইনস্টিটিউট, বিডন স্ট্রীট স্কুলে প্রাথমিক পাঠ। এরপর ডাক্তারির পড়াশোনায় প্রবেশ। যাদবপুরে কে. পি. সি মেডিক্যাল কলেজ থেকে MBBS, তারপর পি. জি হাসপাতাল থেকে MD শেষ হতে হতে পেরিয়েছে অনেক গুলো বছর। লেখার ইচ্ছে ছোটবেলা থেকে। ভ্রমণ ভালোবাসেন। পেশা আর লেখা দুটোই উজ্জীবিত রাখে তাঁকে।