৮ই জুন, ২০২৬

info@thefourthaxis.in

The Fourth Axis

  • প্রথম পাতা
  • বেঙ্গল ফাইলস
  • নন্দীগ্রাম থেকে ভবানীপুর—দু’ময়দানেই শুভেন্দুর জয়ধ্বনি, মমতার ঘাঁটিতে ধাক্কা, বাড়ছে মুখ্যমন্ত্রী জল্পনা
header-ad

নন্দীগ্রাম থেকে ভবানীপুর—দু’ময়দানেই শুভেন্দুর জয়ধ্বনি, মমতার ঘাঁটিতে ধাক্কা, বাড়ছে মুখ্যমন্ত্রী জল্পনা

নন্দীগ্রাম থেকে ভবানীপুর—দু’ময়দানেই শুভেন্দুর জয়ধ্বনি, মমতার ঘাঁটিতে ধাক্কা, বাড়ছে মুখ্যমন্ত্রী জল্পনা

subhendu-wins-bjp-news

নন্দীগ্রাম থেকে ভবানীপুর—দু’ময়দানেই শুভেন্দুর জয়ধ্বনি, মমতার ঘাঁটিতে ধাক্কা, বাড়ছে মুখ্যমন্ত্রী জল্পনা

কলকাতা: একসময়ের ‘হটস্পট’ নন্দীগ্রাম। আর একদিকে তৃণমূলের অভেদ্য ঘাঁটি ভবানীপুর। দুই ভিন্ন রাজনৈতিক মঞ্চ—কিন্তু ফল এক।

দু’জায়গাতেই জয়ের হাসি শুভেন্দু অধিকারী-র। ২০২৬-এর নির্বাচনে এই ‘ডাবল স্ট্রাইক’ই বাংলার রাজনীতির সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা হয়ে উঠল।
নন্দীগ্রামে প্রায় ১০ হাজার ভোটে জয়—যেখানে ২০২১-এ মাত্র ১৯৫৬ ভোটে জিতেছিলেন তিনি। আর ভবানীপুরে, যেখানে একসময় অপ্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেখানেই প্রায় ১৫ হাজার ভোটে পরাজিত হলেন তৃণমূল নেত্রী। সংখ্যার ব্যবধান শুধু জয় নয়, বরং রাজনৈতিক শক্তির পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত দিচ্ছে—এমনটাই মনে করছে পর্যবেক্ষকদের একাংশ।

২০২১-এ নন্দীগ্রাম ছিল সরাসরি মমতা বনাম শুভেন্দু দ্বৈরথের প্রতীক। পাঁচ বছর পর সেই লড়াই যেন নতুন মঞ্চে ফিরে এল ভবানীপুরে। তবে এ বার কৌশলগত ভাবে এগিয়ে ছিলেন শুভেন্দু। দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে তিনি বুঝিয়েছিলেন—তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরাসরি লড়াইয়ে নামতে হলে প্রতীকী নয়, বাস্তব চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে হবে। সেই ভাবনা থেকেই ভবানীপুর থেকেও তাঁর লড়াই।

আরও পড়ুন

আরজি কর মামলায় সাসপেন্ড তিন আইপিএস!
ভবানীপুরে মহারণ! মমতা বনাম শুভেন্দু—১৪২ আসনের ভোটে ‘সুপার ফোকাস’ এক কেন্দ্রেই

প্রচারে সেই আক্রমণাত্মক কৌশলই ধরা পড়েছিল। ভবানীপুরে ঘন ঘন সভা, বুথস্তরে সংগঠনকে চাঙা করা—সব মিলিয়ে লড়াইকে একেবারে ব্যক্তিগত দ্বৈরথে নামিয়ে আনেন শুভেন্দু। ফলত, ভোটের দিন সকালেই রাস্তায় নেমে প্রচারে দেখা যায় মমতাকেও—যা এই কেন্দ্রের গুরুত্বই প্রমাণ করে।
গণনার শুরু থেকেই স্পষ্ট ছিল, ভবানীপুরে লড়াই সহজ নয়। একের পর এক রাউন্ডে ব্যবধান ওঠানামা করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফলাফল যখন স্থির হল, তখন দেখা গেল—নিজের ‘দুর্গ’-এই ধাক্কা খেল তৃণমূল নেতৃত্ব।

এই জয়ের প্রেক্ষিত আরও বড় হয়ে উঠছে রাজ্যজোড়া ফলাফলের ছবিতে। কমিশনের হিসেবে ২০০-র বেশি আসনে জয়ী বিজেপি, তৃণমূল নেমে এসেছে ৮০-র ঘরে। অর্থাৎ পালাবদল প্রায় নিশ্চিত। আর সেই সঙ্গেই স্বাভাবিক ভাবেই সামনে আসছে প্রশ্ন—কে হবেন পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী?

দলের অন্দরে সূত্রের দাবি, শেষ মুহূর্তে বড় কোনও অঘটন না ঘটলে সেই দৌড়ে এগিয়ে শুভেন্দুই। শুধু রাজনৈতিক কৌশল নয়, পর পর দু’বার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করার নজির—তাঁর নেতৃত্বের দাবিকে আরও জোরালো করছে বলেই মনে করছেন অনেকেই।

তবে রাজনীতির অঙ্ক সবসময় সরলরৈখিক নয়। দলীয় সমীকরণ, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত—সব কিছু মিলিয়েই চূড়ান্ত নাম ঘোষণা হবে। তবু এই মুহূর্তে যে বার্তাটা স্পষ্ট—নন্দীগ্রাম থেকে ভবানীপুর, বাংলার রাজনৈতিক কেন্দ্রবিন্দুতে এখন একটাই নাম ঘুরপাক খাচ্ছে, শুভেন্দু অধিকারী।

Click here to add The Fourth Axis as a trusted and preferred source on Google.

google Source Icon
দ্য ফোর্থ অ্যাক্সিস ডেস্ক

দ্য ফোর্থ অ্যাক্সিস ডেস্ক

অনলাইন বাংলা ম্যাগাজিন।

আরও পড়ুন

sidebar-ad

অন্যান্য