৮ই জুন, ২০২৬

info@thefourthaxis.in

The Fourth Axis

header-ad

হাত-পায়ে বারবার ঝিঁঝিঁ? অবহেলা নয়, বড় অসুখের ইঙ্গিতও হতে পারে!

হাত-পায়ে বারবার ঝিঁঝিঁ? অবহেলা নয়, বড় অসুখের ইঙ্গিতও হতে পারে!

tingling-sensation

হাত-পায়ে বারবার ঝিঁঝিঁ? অবহেলা নয়, বড় অসুখের ইঙ্গিতও হতে পারে!

calender icon 2 ২৫শে এপ্রিল, ২০২৬

হাত বা পায়ে হঠাৎ ঝিঁঝিঁ ধরা—অনেকেই বিষয়টিকে সাময়িক অসুবিধা বলে এড়িয়ে যান। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এই উপসর্গ চলতে থাকলে তা গুরুতর স্নায়ুরোগের পূর্বাভাসও হতে পারে। বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় এই সমস্যাকে বলা হয় ‘টিংলিং’ বা ‘প্যারাস্থেসিয়া’।

সম্ভাব্য কারণগুলি

  • এই ঝিঁঝিঁ ধরা আসলে স্নায়ুর ওপর প্রভাব পড়ার ফল। আর এর পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত রক্তে শর্করার মাত্রা থাকলে স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়—ফলে হাত-পায়ে অসাড়তা বা ঝিঁঝিঁ অনুভূত হতে পারে। আবার দুর্ঘটনা বা আঘাতের ফলে স্নায়ুর ওপর চাপ পড়লেও একই সমস্যা দেখা দেয়।
  • এছাড়া দীর্ঘকালীন মদ্যপান, ভিটামিন বি১২-র অভাব, এমনকি কিছু ভারী ধাতু বা রাসায়নিকের সংস্পর্শেও এই উপসর্গ দেখা দিতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াতেও হাত-পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরা অনুভূত হয় ।

কী করবেন

এই উপসর্গকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন। কারণ নির্ণয়ের জন্য ‘নার্ভ কন্ডাকশন স্টাডি’-র মতো পরীক্ষাও করতে হতে পারে।

চিকিৎসা নির্ভর করে মূল কারণের ওপর। ডায়াবেটিস থাকলে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। কোনও ওষুধের কারণে সমস্যা হলে তা বন্ধ বা পরিবর্তন করতে হয় চিকিৎসকের পরামর্শে। দুর্ঘটনাজনিত কারণে হলে সার্জনের পরামর্শ প্রয়োজন হতে পারে। আবার ভিটামিন বি১২-র অভাব থাকলে ওষুধের পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনাও জরুরি।

চিকিৎসকদের কথায়, “ঝিঁঝিঁ ধরা যদি মাঝেমধ্যে হয়, তা হলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে একই সমস্যা চললে সেটি শরীরের ‘ওয়ার্নিং সিগন্যাল’ হতে পারে।”

অতএব, হাত-পায়ে অস্বাভাবিক ঝিঁঝিঁ—ছোট উপসর্গ ভেবে অবহেলা না করে সময়মতো চিকিৎসা করানোই বুদ্ধিমানের কাজ।

Click here to add The Fourth Axis as a trusted and preferred source on Google.

google Source Icon
ডাঃ পৌলমী রায়চৌধুরী

ডাঃ পৌলমী রায়চৌধুরী

কলকাতায় জন্ম। উত্তর কলকাতার হোলি চাইল্ড ইনস্টিটিউট, বিডন স্ট্রীট স্কুলে প্রাথমিক পাঠ। এরপর ডাক্তারির পড়াশোনায় প্রবেশ। যাদবপুরে কে. পি. সি মেডিক্যাল কলেজ থেকে MBBS, তারপর পি. জি হাসপাতাল থেকে MD শেষ হতে হতে পেরিয়েছে অনেক গুলো বছর। লেখার ইচ্ছে ছোটবেলা থেকে। ভ্রমণ ভালোবাসেন। পেশা আর লেখা দুটোই উজ্জীবিত রাখে তাঁকে।

আরও পড়ুন

sidebar-ad

অন্যান্য