৮ই জুন, ২০২৬

info@thefourthaxis.in

The Fourth Axis

header-ad

রাতের ‘নাক ডাকা’ আর মজা নয়! নিঃশব্দে বাড়ছে হার্ট অ্যাটাক-স্ট্রোকের ঝুঁকি!

রাতের ‘নাক ডাকা’ আর মজা নয়! নিঃশব্দে বাড়ছে হার্ট অ্যাটাক-স্ট্রোকের ঝুঁকি!

sleep apnea

রাতের ‘নাক ডাকা’ আর মজা নয়! নিঃশব্দে বাড়ছে হার্ট অ্যাটাক-স্ট্রোকের ঝুঁকি!

calender icon 2 ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬

অনেকেই নাক ডাকা নিয়ে হাসিঠাট্টা করেন। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, এই অভ্যাস মোটেই হালকা ভাবে নেওয়ার মতো নয়! নাক ও গলার মাঝের পথ দিয়ে ঠিকমতো বাতাস চলাচল না করতে পারলেই তৈরি হয় কম্পন— আর সেখান থেকেই নাক ডাকার শব্দ। এর পিছনে লুকিয়ে থাকতে পারে বড়সড় স্বাস্থ্যঝুঁকি।

সর্দিজনিত নাক বন্ধ, অতিরিক্ত মদ্যপান, স্থূলতা , ছোট ও মোটা গলার গঠন— এমন নানা কারণে বাড়ে নাক ডাকার প্রবণতা। অনেক ক্ষেত্রে এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বিপজ্জনক ‘স্লিপ অ্যাপনিয়া সিনড্রোম’, যেখানে ঘুমের মধ্যেই বারবার শ্বাস বন্ধ হয়ে আসে। যদিও সাধারণ নাক ডাকা আর ‘স্লিপ অ্যাপনিয়া’ এক নয়।

দীর্ঘদিন ধরে নাক ডাকার সমস্যা থাকলে তা শরীরে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ, মধুমেহ, সারাদিনের ক্লান্তি, মনোসংযোগের ঘাটতি, এমনকি স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও বাড়ে। অক্সিজেনের ঘাটতিতে মস্তিষ্কের ওপরেও পড়তে পারে নেতিবাচক প্রভাব।

কী করবেন?

জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনলেই অনেক ক্ষেত্রে কমতে পারে সমস্যা। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, নিয়মিত যোগব্যায়াম, একদিকে কাত হয়ে শোয়ার অভ্যাস এবং মদ্যপান এড়িয়ে চলা— এই কয়েকটি সহজ অভ্যাসই বড় পরিবর্তন আনতে পারে। নাক বন্ধ থাকলে প্রয়োজনে ব্যবহার করা যেতে পারে ন্যাজাল ড্রপ।

কখন সতর্ক হবেন?

রাতে অতিরিক্ত নাক ডাকার ফলে ঘুমের ব্যাঘাত, দিনের বেলায় ঝিমুনি, শ্বাসকষ্ট বা উচ্চ রক্তচাপ— এই লক্ষণগুলি দেখা দিলে আর দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। অনেক সময় পাশে শোওয়া মানুষের পর্যবেক্ষণই প্রথম সতর্কবার্তা হয়ে ওঠে।

চিকিৎসার উপায় কী?

সমস্যা গুরুতর হলে ব্যবহার করা হয় ‘সিপ্যাপ’ (CPAP-Continuous Positive Airway Pressure) মেশিন, যা ঘুমের সময় শ্বাসনালী খোলা রাখতে সাহায্য করে। কিছু ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারও প্রয়োজন হতে পারে, বিশেষ করে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার (Obstructive Sleep Apnea Operation) ক্ষেত্রে। নাক ডাকা তাই শুধুই বিরক্তির কারণ নয়— এটি শরীরের এক গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত। সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে বিপদ হতে পারে নিঃশব্দেই।

Click here to add The Fourth Axis as a trusted and preferred source on Google.

google Source Icon
ডাঃ পৌলমী রায়চৌধুরী

ডাঃ পৌলমী রায়চৌধুরী

কলকাতায় জন্ম। উত্তর কলকাতার হোলি চাইল্ড ইনস্টিটিউট, বিডন স্ট্রীট স্কুলে প্রাথমিক পাঠ। এরপর ডাক্তারির পড়াশোনায় প্রবেশ। যাদবপুরে কে. পি. সি মেডিক্যাল কলেজ থেকে MBBS, তারপর পি. জি হাসপাতাল থেকে MD শেষ হতে হতে পেরিয়েছে অনেক গুলো বছর। লেখার ইচ্ছে ছোটবেলা থেকে। ভ্রমণ ভালোবাসেন। পেশা আর লেখা দুটোই উজ্জীবিত রাখে তাঁকে।

আরও পড়ুন

sidebar-ad

অন্যান্য