ডিহাইড্রেশন হলে সতর্ক হওয়া দরকার। ছবি - দ্য ফোর্থ অ্যাক্সিস।
১৮ই জুন, ২০২৬
চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘ডিহাইড্রেশন’। শরীর থেকে যত পরিমাণ জল ও তরল বেরিয়ে যায়, তার তুলনায় কম জল গ্রহণ করা হলে এই সমস্যা দেখা দেয়। সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে ডিহাইড্রেশন প্রাণঘাতীও হয়ে উঠতে পারে।
ডিহাইড্রেশনের অন্যতম প্রধান কারণ পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান না করা। এছাড়াও অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, দীর্ঘ সময় রোদে থাকা, ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা, বমি, জ্বর এবং ডায়াবেটিস বা কিছু ওষুধের কারণে অতিরিক্ত প্রস্রাব হলেও শরীরে জলের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

বাড়িতেই সহজে ওআরএস তৈরি করা যায়। ১ লিটার ফুটিয়ে ঠান্ডা করা জলে ৬ চা-চামচ চিনি এবং আধা চা-চামচ লবণ মিশিয়ে ভালোভাবে নাড়ুন। এই দ্রবণ ধীরে ধীরে পান করলে শরীরের জল ও লবণের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
সামান্য তৃষ্ণা বা ক্লান্তিকে অবহেলা না করে শরীরের সংকেত বুঝুন। কারণ সময়মতো সচেতনতা ডিহাইড্রেশনের মতো নীরব বিপদ থেকে আপনাকে রক্ষা করতে পারে।
Click here to add The Fourth Axis as a trusted and preferred source on Google.
কলকাতায় জন্ম। উত্তর কলকাতার হোলি চাইল্ড ইনস্টিটিউট, বিডন স্ট্রীট স্কুলে প্রাথমিক পাঠ। এরপর ডাক্তারির পড়াশোনায় প্রবেশ। যাদবপুরে কে. পি. সি মেডিক্যাল কলেজ থেকে MBBS, তারপর পি. জি হাসপাতাল থেকে MD শেষ হতে হতে পেরিয়েছে অনেক গুলো বছর। লেখার ইচ্ছে ছোটবেলা থেকে। ভ্রমণ ভালোবাসেন। পেশা আর লেখা দুটোই উজ্জীবিত রাখে তাঁকে।